ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় হ্যারি কেইনের কাছে হেরেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ম্যাগাজিনের সিইও ভিনসেন্ট গার্সিয়ার ভাষ্যমতে, ভোটগ্রহণের দীর্ঘ সময় রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যায়। লামিন ইয়ামাল ও রদ্রির মধ্যে ভোট ভাগাভাগি হওয়ার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে কেইন শিরোপা জেতায় এমবাপ্পেকে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এই হতাশা কাটতে না কাটতেই মাঠের বাইরের এক বড় কূটনৈতিক সংকটে পড়েছেন ফরাসি এই ফুটবলার। রোমাঞ্চকর এক ব্যালন ডি’অর লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় হ্যারি কেইনের কাছে মুকুট হারিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ম্যাগাজিনের প্রধান নির্বাহী ভিনসেন্ট গার্সিয়া জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সময়জুড়ে রিয়াল মাদ্রিদ তারকাই এগিয়ে ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া এই বিতর্ক দ্রুতই রূপ নেয় কূটনৈতিক বিষয়ে।
অনলাইন শো ‘দ্য ব্রিজ’-এর একটি পর্বে চীনের সাবেক নেতা মাও সে তুংয়ের একটি সম্পাদিত ভিডিও দেখে হাসাহাসি করার ঘটনায় এমবাপ্পে এখন চরম বিতর্কের মুখে। তার এই কর্মকাণ্ড চীনের নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে চীনের বাজার থেকে বড় ধাক্কা খেতে হয়েছে তাকে। দেশটির জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ডংপেং’ এবং ‘মেননিউ’ এমবাপ্পের সঙ্গে তাদের লাভজনক স্পন্সরশিপ চুক্তিগুলো অবিলম্বে বাতিল করেছে।
চীন সরকারের পক্ষ থেকেও এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেছেন যে, চীনের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড দেশটির সমাজের তীব্র প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হবে। এমবাপ্পের এই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমস্যা তার ব্র্যান্ড ভ্যালুর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ব্যালন ডি’অর হাতছাড়া হওয়ার ঠিক পরপরই এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী এই বাজারে এমন বাণিজ্যিক পতনের মুখে পড়ায় এমবাপ্পের ব্যবস্থাপনা দল এখন নড়েচড়ে বসেছে। আইনি পরামর্শদাতা ও জনসংযোগ টিমের সদস্যরা বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তবে বিশাল এই বাজার হারানোর ফলে তার ক্যারিয়ারের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।