ইংলিশ ফুটবলে এক অভাবনীয় অঘটনের জন্ম দিয়েছে চতুর্থ স্তরের ক্লাব ফ্লিটউড টাউন। কারাবাও কাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টটির কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে তারা। ইংল্যান্ডের ফুটবল পিরামিডের শক্তির বিচারে দুই দলের মধ্যে ৮৪ ধাপের পার্থক্য ছিল। ইংল্যান্ডের ফুটবল পিরামিডে দুই দলের অবস্থান ও শক্তির বিচারে এই ম্যাচটির আগে দুই দলের ব্যবধান ছিল ৮৪ ধাপ।
হাইবুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর পরপরই আকাশপথে ড্রোন উড়তে দেখে রেফারি খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ করেন। প্রায় আট মিনিট পর খেলা পুনরায় শুরু হলে আর্সেনাল কিছুটা অপ্রস্তুত ছিল। এই সুযোগে ২১ মিনিটে অ্যারন লুপালোর গোলে ফ্লিটউড এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে ভিক্টর ইয়োরকেরেসের গোলে সমতায় ফেরে আর্সেনাল। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে লাথি মারার অপরাধে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্সেনালের ম্যাক্স ডাউম্যান। হাইবুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটির শুরুতেই অবশ্য ভিন্ন এক ঘটনার সাক্ষী হয় দর্শকরা।
নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে আর্সেনালের ব্রুনো গিমারায়েসের শট রুখে দেন ফ্লিটউডের গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। এরপর কনর হহি জয়সূচক গোলটি করলে ৫-৩ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হয় লিগ টুয়ের ১৮তম স্থানে থাকা দলটির। ম্যাচ শেষে ফ্লিটউড কোচ ম্যাট ললোর এই জয়কে ক্লাবের ইতিহাসের সেরা রাত হিসেবে অভিহিত করেছেন। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে দুর্দান্ত কিছু সেভ করে ফ্লিটউডকে টিকিয়ে রাখেন গোলকিপার জে লিঞ্চ।
অন্যদিকে, মূল একাদশে নয়টি পরিবর্তন এনেও শক্তিশালী দল মাঠে নামিয়েছিল আর্সেনাল। এই হারের পর আর্সেনাল কোচ মিকেল আরতেতা দিনটিকে তাদের জন্য ‘খুব খুব দুঃখের দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন।