, ,

বক্তাবলীতে মেসির ঘরে আগুন, নেভাতে গিয়ে হামলার শিকার মুজাহিদ

সংবাদচর্চা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে পূর্বশত্রুতার জেরে দেলোয়ার হোসেন মেসি নামে এক ব্যক্তির বসতঘরে গভীর রাতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ঘরসহ ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নেভাতে এগিয়ে এসে হামলার শিকার হয়েছেন মুজাহিদ নামে এক যুবক। হামলায় তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বক্তাবলী ইউনিয়নের সিপাইপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা দেলোয়ার হোসেন মেসির বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আশপাশের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন। একপর্যায়ে পাশের একটি ইটভাটার শ্রমিকরা ঘরে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তাঁদের চিৎকারে স্থানীয়দের ঘুম ভাঙে। পরে কয়েকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে বালতি দিয়ে দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আনতে আনতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুরো বসতঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় যুবক মুজাহিদ। তাঁর দাবি, স্থানীয়দের চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মেসি মামার ঘরে আগুন জ্বলতে দেখেন। এ সময় আগুন নেভাতে এগিয়ে গেলে জাকির, ইমরান ও হাবু তাঁকে বাধা দেন। একপর্যায়ে পেছন থেকে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়।
পরে ভোরে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন মুজাহিদ। আঘাতের কারণে তাঁর মাথায় কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে কী কারণে জাকির, ইমরান ও হাবু তাঁকে আগুন নেভাতে বাধা দিয়েছেন এবং তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি মুজাহিদ। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে বসতঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কারা, কী উদ্দেশ্যে আগুন দিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরের সব মালামাল হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত,জড়িতদের শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।