সাইফুল ইসলাম সুমন
৪ দিন আগের ভারী বর্ষণে ডিএনডি বাঁধের অভ্যন্তরের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পানিতে ডুবে গেছে এলাকার রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর। বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা যা এখনো চলমান। এলাকাবাসির অভিযোগ, ডিএনডি বাঁধের ভেতরে থাকা মানুষদের প্রাই সময়ই পানি বন্দি থাকতে হয়। আর এতে প্রচন্ড দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবিদের। দূর্ভোগ পোহানো মানুষের প্রশ্ন, রাস্তার এই পানি কবে সরবে ?
সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ১৩ থেকে ১৪ টি এলাকায় এখনো রাস্তায় পানি জমে আছে। এর মধ্যে লামাপাড়া, রামারবাগ, সেহাচর, দক্ষিণ সস্তাপুর, পূর্ব ইসদাইর, কোতালেরবাগ, লালপুর, তল্লা, কুতুবপুরসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটে পানি তলিয়ে আছে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারন মানুষ।
বিভিন্ন এলাকাবাসী জানান, রাস্তায় পানি জমে থাকলে মানুষের প্রচন্ড রকম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। কর্মজীবি মানুষ ঠিক সময়মতো কাজে যেতে পারে না। বাচ্চার বাসার বাইরে বের হতে পারে না। বাধ্য হয়ে মানুষকে নোংরা পানির ওপর দিয়েই চলাচল করতে হয়। এতে অনেক সময় পায়ে ঘা হয়। বছরের পর বছর ধরে ফতুল্লাবাসী এই সমস্যায় আছে তারপরেও এর কোন স্থায়ী সমাধান মিলছে না। অনতিবিলম্বে এর একটি স্থায়ী সমাধান দরকার। ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে মানুষ কেনো কষ্ট করবে?
তারা আরও জানান, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে রাস্তা থেকে পানি সরতে পারে না। ফলে এক জায়গায় দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে এবং মানুষকে দূর্ভোগ পোহাতে হয়। তাদের দাবি, বর্ষার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসকল বিষয়গুলো নিয়ে একটু কাজ করতে হবে। অন্যথায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বৃষ্টির পানির কারণে মানুষকে দূর্ভোগ পোহাতে হবে।
এসআইএস/এসএমআর

