১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, রাত ৪:২৫

বাকি শুধু ফুটওভার ব্রীজ

সাইফুল সুমনঃ

রাজধানী ঢাকার চেয়ে কোন অংশে কম নয় ব্যস্ত নগরী নারায়ণগঞ্জ। এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থান নগরীর প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া। প্রতিদিন কয়েক লাক্ষ মানুষ চলাচল করে শহরের ব্যস্ততম রাস্তাগুলোতে। তবে রাস্তা পারাপারের জন্য নেই কোনো ফুট ওভার ব্রীজ। তাই প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রী, কর্মজীবি সহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে। তবে ট্রাফিক বিভাগ বলছে, মানুষের উল্টো-পাল্টা রাস্তা পারাপারের জন্য তৈরী হয় যানজট।

জানা যায় স্কুল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, বিনোদন কেন্দ্র, আন্তজার্তিক স্টোডিয়াম সহ সব কিছুই রয়েছে এই জেলায়। এছাড়াও শহরের সব কিছুই আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। এর কারণ মন্ত্রী, মেয়র সহ জেলার প্রায় প্রতিটি আসনেই রয়েছে প্রভাবশালী সংসদ সদস্য। তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে অলি-গলি থেকে শুরু করে প্রতিটি রাস্তার ব্যপক উন্নয়ন করেছে। তবে শহরবাসির দীর্ঘদিনের চাওয়া চাষাঢ়া ফুট ওভার ব্রীজের এখনো দেখা মিলেনি। প্রতিদিনই সাধারন মানুষদের যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা। ফুটওভার ব্রীজটি হলেই ষোলকলা পূর্ণ হবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

নগরবাসীর মতে, দেশের সবচেয়ে শীর্ষ ধনী জেলা নারায়ণগঞ্জ। সেক্ষেত্রে অন্য সব জেলা থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দৃশ্য থাকবে অন্যরকম, এটাই স্বাভাবিক। দেশের শীর্ষ ধনী জেলায় কমবেশী সবকিছুই রয়েছে। এটা গর্বের বিষয়। অথচ নগরীর প্রাণকেন্দ্র চাষাড়ায় একটি ফুট ওভার ব্রীজের জন্য লাখো মানুষের রাস্তা পারাপার হতে কষ্ট হয়। তাছাড়া মানুষের উল্টো-পাল্টা রাস্তা পারাপারের কারণে তৈরী হয় যানজট। রাজধানী ঢাকার চেয়ে কোন অংশে কম নয় ব্যস্ত নগরী নারায়ণগঞ্জ। প্রায় প্রত্যেকদিনই চাষাড়া মোড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এগুলো দেখার পরও এখানো কেনো ফুট ওভার ব্রীজ নিমার্ণের কথা কেউ বলছে না।

এই চাষাড়া মোড় দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কর্মচারী-কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বয়সের মানুষসহ হাজারো মানুষ পারাপার হয়। গোলচত্ত্বর থাকায় প্রায় সব বয়সের মানুষেরই রাস্তা পারাপারে দূর্ভোগ পোহাতে হয়। তাছাড়া প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটে থাকে এই সড়কে। এছাড়াও রয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনরা নানা অসঙ্গতি। শহর অনুযায়ী জনসংখ্যা ও গাড়ী বেশী থাকলে সেই সাথে ট্রাফিক কম থাকলে তাদেরই বা কী করার থাকে। এ বিষয়গুলো একটু কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে আনা দরকার। তা না হলে প্রায় প্রতিদিনই এই মোড়ে দূর্ঘটনা ঘটতে থাকবে।

সচেতন মহলের মতে, দায়িত্ববান নেতৃত্ব থাকার পরও শহরবাসির দীর্ঘদিনের আশা অর্থ্যাৎ চাষাড়ায় একটি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মান করা কথা কেউ চিন্তাও করেনি। তাই বছরের পর বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে শহরবাসি। আর এসব বিষয় সকলের চোখের সামনে থাকলেও না দেখার ভান করছেন দায়িত্ববানরা। কিন্তু কেনো? এমন প্রশ্ন নগরির সচেতন মহলের।

এছাড়াও সাংসদ সেলিম ওসমান ও মেয়র আইভীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচেতন মহল বলে, যানজট নিরসন ও দূর্ঘটনা কমাতে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ চাষাড়া ফুট ওভার ব্রীজ।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ