আজ শনিবার, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সড়কে পিচ উঠে বড় বড় গর্ত

সংবাদচর্চা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা হচ্ছে বিসিক শিল্প নগরী। কয়েকশত গার্মেণ্ট কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান সমৃদ্ধ এই অঞ্চলটিকে অর্থনৈতিক জোন হিসেবেই গণ্য করা হয়।
বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকারা রপ্তানি আয় হয়ে থাকে এখান থেকে। দেশের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিসিক অত্যন্ত গুরুত্ব ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এই অঞ্চলটির গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়কটির বেহাল অবস্থা থাকে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিল্প উদ্যোক্তাসহ এখানকার কল কারখানায় নিয়োজি হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারিদের।
জানা গেছে, পঞ্চবটির মোড় থেকে শুরু করে প্রায় ভোলাইল এলাকার কাছাকাছি রাস্তাটি প্রায় সময় খানা খন্দকে ভরা থাকে। রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্তে। একটু বৃষ্টি এলেই পুরো রাস্তাটিই পুকুরে পরিণিত হয়। সম্প্রতি অল্প বিস্তর বৃষ্টিপাতে পুরো সড়কটির অবস্থা একেবারেই বেহাল। রাস্তাজুড়ে পানিতে সয়লাব। প্রতিদিনই এখানে ঘটছে দুর্ঘটনা। কখনো ব্যক্তিগত গাড়ি, কখনও পণ্যবাহী পরিবহন কখনো বা ব্যাটারি চালিক অটো রিকশা উল্টে যাচ্ছে এই সড়কটিতে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মানুষসহ এই পথে চলাচলরত যানবহন।
স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির মৌসুমে এই রাস্তাটি থাকে পানির নিচে। শুষ্ক মৌসুমে খানাখন্দক আর ধূলার রাজত্ব থাকে। বছরের পর বছরজুড়ে এই সড়কটির এমনই হাল। কখনো কখনো সংস্কার করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা আবার নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মানুষজনকে।
তারা বলেন, এই সড়কটি যখন সংস্কার করা হয় তখন উপযুক্ত করে তৈরি করা হয় না। কেননা, এই সড়কে অধিক সংখ্যাক পরিবহন চলাচল করে। এরমধ্যে ভারী যানবাহনের মধ্যে কয়েকটি সিমেন্ট কারখানার ১০ থেকে ১৬ চাকা বিশিষ্ট কন্টিনার গাড়ি প্রতিদিনই অসংখ্য পরিমাণের চলাচল করে এই সড়কে। এছাড়া বিসিকের কয়েকশত যানবাহনও চলাচল করে এ পথে। পাশাপাশি ঢাকা মুন্সিগঞ্জের যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য পণ্যবাহী পরিবহনগুলোর চলাচলও এই সড়কে। সে মোতাবেক সড়কটিকে হেভি করে তৈরি করার উচিৎ। তা না করে কোনো রকম সংস্কার করা হয়। যা দুই আড়াই মাসের মধ্যেই বেহাল অবস্থা তৈরি হয়।

সর্বশেষ সংবাদ