চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম নয় মাসে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি ৩৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে। কোম্পানিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তাদের এই মুনাফা ৩৫ শতাংশ বেশি। পরিচালন আয় বৃদ্ধি এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সতর্কতার ফলে এই ইতিবাচক ফলাফল সম্ভব হয়েছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির মোট পরিচালন আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়ে ৩১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে বিনিয়োগ থেকে আয় ২৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং কমিশন ও ব্রোকারেজ আয় বেড়ে ১২ কোটি ১০ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে, পরিচালন ব্যয় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১২৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ব্যয়ের তুলনায় আয়ের প্রবৃদ্ধি দ্রুত হওয়ায় প্রভিশন-পূর্ব মুনাফা ৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। আইডিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ঋণ, অগ্রিম ও লিজের স্থিতি ছিল ৭ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। দেশের বাজারে চাহিদার স্থবিরতা সত্ত্বেও সতর্কতার সঙ্গে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সময়ে আমানত ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৭৯১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া তাদের বিনিয়োগ পোর্টফোলিও ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। আমানত ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে হয় ৬৭৯১ কোটি টাকা। বিনিয়োগ পোর্টফোলিও ৪৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৫৫৬ কোটি টাকা।
কোম্পানির এমন ব্যবসায়িক সাফল্যে মন্তব্য করতে গিয়ে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস জানান, শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি ৪৫তম বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। এই বিশেষ সময়ে আর্থিক ভিত্তির এমন মজবুত অবস্থান, নিয়ন্ত্রিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক গতিশীলতা কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।