১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, রাত ৪:২০

২৯ দিন পর লাশ ফিরেছে নিহত রাশেদের

সংবাদচর্চা রিপোর্টঃ

২৯ দিন পর বুধবার রাতে সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নন্দলালপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে মোহাম্মদ রাশেদের মরদেহ নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এর আগে গত ৪ আগস্ট রাশেদের কর্মরত রেস্তোরা থেকে মাত্র ৪০০ গজ দূরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে। আর ওই ঘটনায় সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হয় রাশেদকে। বুধবার রাতেই জানাজা শেষে তার দাফন করা হয়।

মরদেহ নিয়ে আসার পর শোকের ছায়া নেমে আসে বাড়িতে। রাশেদের বৃদ্ধা মা ও তিন ভাই-বোনসহ স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে রাশেদের বাড়িতে এসে ভিড় করেন প্রতিবেশীরাও।

নিহতের পরিবারকে সান্তনা দিতে ওই রাতেই ছুটে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু। উপজেলা প্রশাসন থেকে শোকাহত পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন ইউএনও।

এসএসসি পাসের পর অর্থাভাবে পড়াশোনা আর এগোয়নি মোহাম্মদ রাশেদের (৩৮)। চার ছেলেমেয়েকে রেখে ২০০৮ সালে মারা যান বাবা হাফিজুর রহমান। বড় ছেলে হিসেবে পিতৃহীন পরিবারের সব দায়িত্ব আপন কাঁধে তুলে নেন রাশেদ। দেশে থাকতে একটি রি-রোলিং কারখানায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। ভাগ্য ফেরানোর আশায় ২০১৫ সালের ২২ জুন পাড়ি জমিয়েছিলেন লেবাননে। রাজধানী বৈরুতের ঝিমাইজি এলাকায় একটি রেস্তোরায় কাজ করছিলেন। গত ৪ আগস্ট ওই রেস্তোরা থেকে মাত্র ৪০০ গজ দূরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ