১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, সকাল ৬:১২

১ মাসে বেড়েছে মরিচের দাম

সংবাদচর্চা রিপোর্টঃ

মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে অস্বাভাবিক হাড়ে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। ১ মাসে প্রতি কেজি মরিচের দাম বেড়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। পূর্বের ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচ এখন ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আড়ৎদারদের অভিযোগ, দেশের অনেক জেলায় নদীন পানি বৃদ্ধি হয়ে মরিচ সহ সকল সবজির খেত নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন না হওয়ায় বাজারে মরিচ নেই। এছাড়াও টানা বর্ষণের কারনে পরিবহন সংকোটে পরছে ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে শহরের প্রধান কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ইন্ডিয়ান মরিচের ছড়াছড়ি, দেশি মরিচ নেই বললেই চলে। যা আছে তাও হাতের নাগালের বাইরে। শতাধিক সবজি বিক্রেতার মধ্যে মাত্র কয়েকজন বিক্রেতাকে মরিচ বিক্রি করতে দেখা যায়। তবে সেগুলোর সবই ইন্ডিয়ান লম্বা ও সাদা কাচা মরিচ। পরো বাজারে মাত্র একজন বিক্রেতার কাছে দেশী কালো বারি মরিচ দেখা যায়। যার মূল্য ২৫০ টাকা কেজি।

জানা যায়, কৃষকের খেত হঠাৎ জলাবদ্ধতায় নষ্ট হয়ে গেছে ফসল। তাই কোথাও দেশি মরিচ নাই। সবার কাছেই ইন্ডিয়ান মরিচ। আর ইন্ডিয়ান মরিচেরও একি ভাবে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। লম্বাটা ২০০ টাকা কেজি আর সাদা মরিচ ২৪০ টাকা। এছাড়াও পাহাড়ি উচু অঞ্চলের দেশী মরিচ এখনো বাজারে পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলান দাম অনেক বেশি। প্রতিকেজি মরিচের মূল্য ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা।

বাজারের এক খুচরা বিক্রেতা রহিমের জানায়, এতো দাম দিয়া কিনে বেইচা কুলাইতে পারমু না। তাই কিনি নাই। বাজারে অনেক বিক্রেতাকে ইন্ডিয়ান মরিচকে দেশি বলেই বিক্রি করতে দেখা যায়। এ বিষয়ে রহিম বলেন, ইন্ডিয়ান মরিচ অনেকে নিতে চায় না। আর দেশি মরিচ বাজারে নাই। কি করমু, বেচতে তো হইবো তাই দেশি কইয়া বেচতাছি। ইন্ডিয়ান মরিচ না থাকলে বাজারে মরিচই থাকতো না। আর তরকারিও খাওয়া লাগতো না। যা আসে নিয়া যান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ক্রেতা বলেন, খেত নষ্ট হইসে আমরা জানি। কিন্তু ইন্ডিয়ান মরিচ তো বাজারে অনেক আসছে। তাহলে এত দাম রাখবে কেন? এই মরিচ আবার দেশি মরিচের তুলনায় ঝাল কম। যার কারণে দেশী মরিচের তুলনায় খাবারে ব্যবহার করতে হয় বেশি। না কিনেও পারি না। খেতে তো হবে।

আরেকজন ক্রেতা মাহমুদা বলেন, অনেকদিন ধরেই এত দামে মরিচ কিনছি। কি করবো, খেতে তো হবে। মরিচ ছাড়া তো বাঙ্গালির খাওয়া হয় না। সব খাবারেই লাগে। তাই বাধ্য হয়ে কিনতেই হচ্ছে। তবে দাম বেশি তাই খাওয়া কিছুটা কমিয়ে দিতে হয়েছে। এখন তুলনামূলক কম খাওয়া হয় এই আরকি।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ