১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, রাত ১২:০৪

সেপ্টেম্বরেই সক্রিয় বিএনপি

বিশেষ প্রতিবেদক:

করোনার প্রদুর্ভাবের কারনে রাজপথের রাজনীতি বন্ধ রয়েছে দীর্ঘসময় ধরে। শারীরিক ভাবে উপস্থিতি বাদ দিয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজনীতিক দলগুলো তাদের সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে সক্রিয় হতে পারে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসমূহ। ইতোমধ্যেই ১৫ই আগস্ট ক্ষমতাসীন দল করোনার পরে প্রথমবারের মত মাঠে নেমে এসেছে স্বাভাবিক ভাবেই। সে ধারাবাহিকতায় এবার বিরোধী জোটেও লেগেছে কর্মসূচীর হাওয়া।

বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সরাসরি কর্মসূচি পালনে নামবে তাদের দল। তবে সেগুলো হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই। এই সময়ে বড় ধরনের সভা সমাবেশ আয়োজন করা হবেনা। তবে বিভিন্ন কার্যালয় কিংবা মিলনায়তনে আলোচনা সভার মতো কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত দুই বছর ধরে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচীর মূল এজেন্ডা ছিল কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর গত ২৫ মার্চ ৬ মাসের জামিনে মুক্তি পান তিনি। এতে অনেকটাই হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে করোনাকালীন সময়ে ত্রাণ বিতরন, জুম এপসে দলীয় মিটিং চালিয়ে যাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। তাদের মতে আগামী সেপ্টেম্বরে করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেই শুধু হবে সাংগঠনিক কার্যক্রম।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ঝুলে আছে দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়া। বিশেষ করে জেলা বিএনপির কমিটির পূর্নগঠনও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। একদিকে কার্যালয় সংকট অন্যদিকে নতুন কমিটি গঠনে বিলম্ব। সবমিলিয়ে সাংগঠনিক কর্মকান্ড শূন্যের কোটায়। করোনা পরবর্তী সময়ে এসব গ্যাপ পূরনে মনোযোগী হতে হবে।

বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা শরীফুল ইসলাম শিপলু বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে বিএনপি আগের তুলনায় অনেকটাই চাঙ্গা। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিএনপি করোনার সময়ে রূপগঞ্জ আড়াইহাজারে যেভাবে ভূমিকা রেখেছে তাতেও বেশ সাড়া পড়েছে তৃণমূলে। শহর কেন্দ্রীক রাজনীতি নিয়ে সবাই মাতামাতি করলেও শহরের বাইরে কার্যক্রম চলমান। ধারনা করা হচ্ছে আগামী মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে সকলে নামতে পারবেন।

রাজনৈতিক সংশ্লীষ্টরা বলছেন, করোনা ভাইরাস কবে নাগাদ শেষ হবে তা যেহেতু এখনো অনিশ্চিত, সে কারণে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকতে হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই। এতে করে বিভিন্ন বক্তব্য প্রচারের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা মানসিকভাবে সক্রিয় থাকবে। জনসমাবেশ কারও জন্যেই উপকার বয়ে আনবে না। কিন্তু একই বিষয় অনলাইনে মনোযোগী হলে নির্ভার থাকবে নেতাকর্মীরা।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ