১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, রাত ৪:৩০

রপ্তানি বাণিজ্যে দ্বিতীয় স্থানে পাট

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

নারায়ণগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেছেন , “পাটখাত উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও  বাস্তবায়ন ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমান সরকারের এসকল কর্মপরিকল্পনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে পাটখাত চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।”

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি)’র অফিসার্স ফোরামের সাথে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া ও অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার ( ৬ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩০.৭৫ কোটি ডলার আয় করেছে। এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯.২৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১.৮৫ শতাংশ বেশি।

মন্ত্রী বলেন , কাঁচা পাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ,পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রনোদনা ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহার  বৃদ্ধিকরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা রাখছে। ফলে পরিবেশবান্ধব পাট, এই করোনাকালীন দুর্যোগেও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর “সোনার বাংলা” গড়ার গতিকে ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কৃষকের উৎপাদিত পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় পাট চাষীদের উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি পাট শিল্পের সম্প্রসারণে  সবধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।  

উল্লেখ্য, চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাট চাষ নিশ্চিতকরণে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সরকার মানসম্মত পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি ও পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি জুলাই, ২০১৮ হতে মার্চ ২০২৩ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটচাষের উন্নত কলাকৌশল সম্পর্কে চাষীগণ প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। এছাড়াও গুণগত মানসম্মত পাট ও পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের  ৩৯০ মে:টন পাট বীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ সবধরণের সহায়তা অব্যহত রয়েছে।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ