১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, রাত ৪:৩২

যাত্রী ছাউনিতে হাটু পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক এবং বক্তাবলী ইউয়িনের এলাকাটি চার পাশের ৩ দিক দিয়ে নদী বেষ্টিত। সম্প্রতি ধলেশ্বরী নদীর পানি বেরে ডিক্রিরচর ও বক্তাবলী ঘাট পানিতে ডুবে গেছে। দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিক্রিরচর ঘাটের যাত্রী ছাউনি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এমনকি ঘাটের ট্রলার থেকে যাত্রীদের উঠা নামা করার জন্য যে কাঠের মাছা বিছানো হয়েছে তাও পানির নিচে চলে গেছে। যার ফলে যাত্রীদের হাটু পরিমান পানি পারাইয়া ট্রলারে উঠতে হয়। একই সাথে ধলেশ্বরী নদীর সাথে ইটের ভাটা গুলোতেও পানিতে ভরপুর। এতে করে নদীর আশে পাশে লোকেরা বন্যা আতঙ্কে আছেন।

স্থানীয় মানুষ জানান, গত দুদিনে বিপদসীমার উপরে পানি বেরেছে। যা গত এক যুগেও এত পানি বারে নাই। পানি বেরে যাওয়ার কারনে এখানকার মানুষকে হাটু পরিমান পানি পারাইয়া ট্রলারে উঠতে হচ্ছে। আর এতে করে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ডিক্রিচর ঘাটের ইজিবাইক চালক সুমন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে অনেক পানি বেরেছে। গত এক যুগেও এত পানি বারে নাই। যাত্রী ছাউনিতে এখন হাটু পরিমান পানি। অথচ সপ্তাহ খানিক আগেও মানুষ যাত্রী ছাউনিতে দাড়াতে পারত। এর এখন রাস্তায় পর্যন্ত পানি উঠেছে। এই ভাবে ধলেশ্বরী নদীর পানি আরো বারতে থাকলে এখান দিয়ে মানুষের চলাচল করা অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।

বক্তাবলীর আলতাফ জানান, গত ২ থেকে ৩ দিনে প্রচুর পরিমানে পানি বেরেছে। পানি বারার কারনে আমাদেরকে কষ্ট করে ট্রলারে উঠতে হয়। বিশেষ করে নারীদের সবচেয়ে বেমি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। তাদের হাটু পানি পারাই ট্রলারে উঠতে হচ্ছে। জন প্রতিনিধিরা যদি এখনই ব্যবস্থা না নেয় তাহলে সামনে আরো কষ্ট বারতে পারে।

খোজ নিয়ে জানা যায়, একই উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্ব গোপালনগর এলাকাসহ তিনটি গ্রাামের দুই শতাধিক বাড়ি ঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বেরে যাওয়ায় ওই এলাকার অনেক মানুষ এখন আতঙ্কে আছে। তার কারন হলো বন্যায়নি আবার তাদের বাড়ি ঘর তলিয়ে যায়। আবার কেউ কেউ তাদের সন্তানদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধিতে কাশিপুর ইউনিয়নের উত্তর নরসিংপুর এলাকার সামসুল আলম মোড় এলাকার রাস্তা ভেঙ্গে গ্রাামে পানি প্রবেশ করে ৫/৬ শ ঘর বাড়ি পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে করে উত্তর নরসিংপুর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। তারা জানান তাদের ভাগ্যে এখনো কোন ত্রান জোটে নাই।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ