১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, সকাল ৬:২০

মানববন্ধনে নিহত শুভ’র মায়ের আহাজারি

সংবাদচর্চা অনলাইনঃ

হাজীগঞ্জে নিহত শুভ’র মা রওশন আরা। পঞ্চাশোর্ধ্ব এ নারীর আহাজারিতে স্তব্ধ পুরো প্রেসক্লাব প্রাঙ্গন। তার কান্নায় পথচারীরা হুমড়ি দেখছে আর বলছে কি হয়েছে এই নারী? গত ১ আগস্ট ঈদুল আযহার দিন রাত ১০টায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা করা হয় হাজিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আহাদ আলম শুভকে (৩০)। তার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। সেই মানববন্ধনেই উপস্থিত হয়ে শুভ মা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ঐ মানববন্ধন নিহত শুভর বাবা বশির মিয়া হত্যাকারীদের বিচারের দাবী জানিয়ে বলেন, আমার ছেলেকে হৃদয় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। এটা পথচারীরা দেখেছে। হত্যার পর হৃদয় আমাদের বাড়িতে এসে কান্না করেছে। যখন সে জানাজানি হলো হত্যার সাথে হৃদয়ও জড়িত ছিলো তখন সে পালিয়ে যায়। আমি আমার ছেলের হত্যাকারী হৃদয়, সুফিয়ান, সজল, কালু, সোহাগ রাজন সহ হত্যার সাথে সকল জড়িতদের বিচার চাই। মানববন্ধনে এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নিহত শুভর বড় ভাই তৈমুর আলম রোকন, মেঝ ভাই তহিদ আলম শোকন, বোন ইভা, খালা পাপিয়া প্রমুখ।

এর আগে এই হত্যার ঘটনায় পৃথক আদালতে বাদশা (২২) কে ২দিনের ও হৃদয়কে ৩দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

উলেখ্য, ১ আগস্ট বিকাল পৌনে ৫ টার সময় পলাতক আসামী জাহাঙ্গীর ঈদের দিন সকল বন্ধুদের সাথে ঘুড়তে যাবে বলে আহাদ আলম শুভকে (৩০) বাড়ি থেকে ডেকে আনে। শুভ ও তার বন্ধুরা ঘুরাঘুড়ি শেষে হাজীগঞ্জে যাওয়ার পথে হৃদয়, রিফাত, আবু সুফিয়ান, সোহাদ, বিপ্লব জাহাঙ্গীর সহ বেশ কয়েকজন আগে থেকেই পরিকল্পনা করে শুভকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর ঝখম করে।

শুভ’র চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সে সময় আসামিরা পালিয়ে যায়। তারপর আহত শুভকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার অবস্থা গুরুতর দেখে। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ