আজ রবিবার, ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রূপগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আড়াইশত কোটি টাকার বিশাল উন্নয়ন

শিক্ষার মৌলিক চাহিদা পূরণে রূপগঞ্জে ব্যপক কাজ করে যাচ্ছেন গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক)। তিনি ২০০৮ সাল থেকে নিয়ে টানা তিন মেয়াদে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন তথা রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর তাকে বাংলাদেশ সরকারের পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এই দীর্ঘ ১৫ বছরে মন্ত্রী গাজী রূপগঞ্জের অন্যান্য মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও অসামান্য অবদান রেখেছেন মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১১৫টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের ব্যপক উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েছে মন্ত্রী গাজীর হাত ধরে। বিগত ১৫ বছরে ১১৫টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ২শত ৫২ কোটি ১২ লাখ টাকার বরাদ্দ এনে দিয়েছেন মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। এর মধ্যে একেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ বাবদ ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা করে অর্থ বরাদ্দ, শ্লিপ ফান্ড, প্রাক-প্রাথমিক, বড় ধরনের মেরামত, ক্ষুদ্র মেরামত, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ওয়াশ ব্লক নির্মাণ ও মেরামত, খেলাধুলার সামগ্রী এবং নলকূপ স্থাপনের জন্যেও পৃথক ভাবে বরাদ্দ এনে দিয়েছেন মন্ত্রী গাজী। এতে রূপগঞ্জের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন অবকাঠামোগত দিক থেকে উন্নত এবং সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে।

অথচ, ২০০৮ সালের আগে উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত অবস্থা ছিলো নাজুক। তবে, গোলাম দস্তগীর গাজী রূপগঞ্জের এমপি হওয়ার পর তিনি ওই উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় থেকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এনে দিয়েছেন। যা ইতিপূর্বে রূপগঞ্জের অন্যান্য এমপিদের দ্বারা সম্ভব হয়ে উঠেনি। মূলত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার মনোন্নয়নে যেই বিশেষ গুরুত্ব ও উদ্যোগ নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে রূপগঞ্জে ব্যপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন শিক্ষা বান্ধব এই রাজনীতিবীদ।

তথ্য মতে, রূপগঞ্জে ১১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১নং দাউদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২নং উত্তর খৈইশাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৩নং দক্ষিন খৈইশাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৪নং কামালকাটি বিদ্যালয়ে ২ কোটি ৭০ হাজার টাকা, ৫নং আগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬নং দাউদপুর পুটিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

৭নং আমদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮নং বেলদী সোনাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৯নং হানকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১০নং জিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১১নং ধামছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১২নং কামতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১৩নং হিরনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১৪নং কুলিয়াদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১৫নং দেবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১৬নং পশিহারারবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১৭নং ইউসুফগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

১৮নং ছনিবাড়ীয়ারটেক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ১৯নং গোয়ালপাড়া বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২০নং কেয়ারিয়া বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা, ২১নং দক্ষিণ বাগ বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ২২নং গুতিয়াব বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২৩নং পিতলগঞ্জ ব্রাহ্মণখালীবিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ২৪নং রূপগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯৫ হাজার টাকা, ২৫নং জাঙ্গীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২৬ নং নাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২৭নং বরুণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য২ কোটি ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২৮নং কামশাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ২৯নং নগরপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৮৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

৩০নং মাঝিনা বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৩১ নং বড়ালু বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩২নং দক্ষিণপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৩নং পূবগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৪নং পশ্চিমগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৫নং পশ্চিমগাঁও উত্তর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৫২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৬নং টাওড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৭নং ভোলাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৮কে,এ,ডি আতলাপুর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৯নং চারিতালুক বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪০নং করটিয়া পূবেরগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪১নং গুতুলিয়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

৪২নং পাইস্কা বাসুন্দা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৩নং তারৈল বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৪ নং তারৈল বিরাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৫নং বিরাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৬নং কেন্দুয়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৭নং কেন্দুয়াপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৮নং চৌধুরীপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৪৯নং রাণীপুরা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫০নং কাঞ্চন বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৫১নং কলাতলী বিদ্যালয়ের জন্য ৮২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫২নং হাটাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫৩নং আধুরিয়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫৪নং টেংরারটেক বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

৫৫নং সাওঘাট বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫৬নং হোরগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫৭নং পূর্বদড়িকান্দি বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৩২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৫৮নং গোলাকান্দাইল উত্তর বিদ্যালয়ের জন্য ৯ কোটি ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, ৫৯নং গোলাকান্দাইল উত্তর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬০নং আতলাশপুর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬১নং মাছুমাবাদ বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬২নং পাড়াগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬৩নং ভুলতা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৬৪নং মাঝিপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬৫ নং বানিয়াদী বিদ্যালয়ের জন্য ৯ কোটি ৩২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬৬নং মঙ্গলখালী বিদ্যালয়ের জন্য ৯ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

৬৭নং ব্রাহ্মণগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ৮ কোটি ৯৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬৮ নং মাছিমপুর বিদ্যালয়ের জন্য ৯ কোটি ৩২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৬৯নং মীরকুটিরছেও বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৭০নং মাহমুদাবাদ মডেল বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৭১ নং দড়িকান্দি পশ্চিম বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৭২ নং গংগানগর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৭৩ নং কর্নগোপ বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৭৪ নং মাসাব বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৭৫ নং গন্ধর্ব্বপুর বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৭৬ নং রূপসী বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

৭৭ খাদুন আয়েত আলী বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৭৮ নং মৈকুলী সপ্রাবি বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৭৯ নং বরপা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৮০ নং দীঘিবরাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৮১নং নোয়াপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৮২ নং তারাব বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৮৩নং পিতলগঞ্জ বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৮৪নং মুশরী বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮৫নং আগারপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮৬নং ফজলুল রহমান মেমো বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮৭নং হরিনা ইসমাইল সাউদ বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮৮নং মাহনা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৮৯নং জনকল্যাণ আদর্শ বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি বিদ্যালয়ের জন্য ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৯০নং আউখাব বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৯১নং গোলাকান্দাইল মধ্য বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

৯২নং পূর্ব দাউদপুর বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ৯৩নং পাবই বিদ্যালয়ের জন্য ৮২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৯৪নং রূপসী কাজীপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৯৫নং ভোলাব আদর্শ বিদ্যালয়ের জন্য ৮২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৯৬নং হারিন্দা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৯৭নং পলখান বিদ্যালয়ের জন্য ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৯৮নং করাটিয়া আঙ্গাঁরজোড়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৯৯নং ডহরগাঁও বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ১০০নং নোয়াগাঁও দিঘলীয়া বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১০১নং রোহিলা বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

১০২নং বৈলদা বিদ্যালয়ের জন্য ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১০৩নং নাওড়া সেলিমনগর বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৯৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১০৪নং পশ্চিমগাও দক্ষিণ বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ১০৫নং হাউলি পাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১০৬নং ছাতিয়ান বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১০৮নং কান্দাপাড়া বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১০৯নং কুশাব অস্থায়ী বিদ্যালয়ের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার, ১১০নং গাবতলী বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১১১নং ফুলকুড়ি বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ১১২নং ডাক্তারখালী বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১১৩নং আলমপুরা বিদ্যালয়ের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ১১৪নং ডিপি বিদ্যালয়ের জন্য ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং সুতালড়া হাজী মোস্তা. রহ. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

বিদ্যালয়গুলোর ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রধান শিক্ষকগণ জানান, ২০০৮ সালে রূপগঞ্জে গোলাম দস্তগীর গাজী এমপি এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হওয়ার পর বিগত ১৫ বছরে এখানকার শিক্ষা কাঠামোয় আমুল পরিবর্তন হয়েছে। মন্ত্রী গাজী যেমন সরকারের বরাদ্দ এনে দিয়েছেন, তেমনই তিনি নিজ অর্থায়নেও শিক্ষাখাতে বহু সহায়তা করেছেন। এর আগে রূপগঞ্জের কেউই শিক্ষাখাতে এমন ভূমিকা রাখতে পারেনি। তিনি একজন শিক্ষা বান্ধব জনপ্রতিনিধি। আগামীতে তার হাত ধরে এই শিক্ষা কাঠামো সহ রূপগঞ্জের উন্নয়ন আরও প্রসারিত হবে বলে রূপগঞ্জের মানুষ প্রত্যাশা করেন।

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রহিম মাস্টার দৈনিক সংবাদচর্চাকে বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় সরকার যেই উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে তা আমাদের নারায়ণগঞ্জে প্রায় শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আসলে রূপগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিগত ১৫ বছরে আড়াইহাজার কোটি টাকার যেই উন্নয়নের তথ্য সেটাতো সরকারি বরাদ্দ। কিন্তু আমাদের মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক) মহোদয়ের ব্যক্তিগত সহায়তা বা অনুদান আরও বেশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং উনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় মহোদয় যখন সর্বপ্রথম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন এবং রূপগঞ্জে মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক) যখন এমপি হয়ে আসেন, তখনই তিনি প্রত্যেকটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাপটপ ও ডেক্সটপ উপহার দিয়েছেন ব্যক্তিগত অর্থায়নে। উনি তখন রূপগঞ্জ থেকে এটা শুরু করেন। এমনকি প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে একটি করে স্মার্ট ফোন দিয়েছেন নিজ খরচে।

আমরা মনে করি সারা বাংলাদেশে এটা একটি মডেল হয়ে আছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে আমাদের রূপগঞ্জ পরপর তিনবার প্রথম হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য মন্ত্রী মহোদয় অনেক কিছু করেছেন। তিনি আমাদের সুখে-দুঃখে যেকোন সময়েই পাশে থাকেন। আমাদের খোঁজ খবর নেন, ডাকেন এবং আমরা যেকোনো অনুষ্ঠানে যদি তাকে চাই তাহলে তিনি আমাদের মাঝে অংশ নেন এবং উৎসাহিত করেন। এজন্য আমরা তার প্রতি সস্তুষ্ট।’

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ