১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, রাত ২:১২

বিজেএমসির বন্ধ ঘোষিত মিলের শ্রমিকরা পেল পাওনা

সংবাদচর্চা রিপোর্ট: বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন বিজেএমসির বন্ধ ঘোষিত মিলসসমূহের অবসরপ্রাপ্ত ও অবসানকৃত ( গোল্ডেন হ্যান্ডসেক সুবিধাসহ ) শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে । মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অবস্থিত করিম জুট মিলসের অবসরপ্রাপ্ত ও অবসানকৃত ৩০ জন শ্রমিকের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধ করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সকলের হাতে বকেয়া পাওনা তুলে দেওয়া হবে। বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।এসময় উপস্থিত ছিলেন  শ্রমিকলীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীকসহ অতিথিবৃন্দ অবসরপ্রাপ্ত ও অবসানকৃত শ্রমিকদের হাতে চূড়ান্ত পাওনার চেক তুলে দেন। চেক পেয়ে শ্রমিকবৃন্দ আনন্দিত। প্রসঙ্গত গত জুলাই মাসে সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী শ্রমিকদের কথা দেয় তারা ঠকবে না। অবসরপ্রাপ্ত ও অবসানকৃত ( গোল্ডেন হ্যান্ডসেক সুবিধাসহ ) শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা চেকের মাধ্যমে পরিশোধের উদ্যোগ নেয় সরকার। বাজেটে বরাদ্দ দেয় ৫ হাজার কোটি টাকা। শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকের পাওনার ৫০ শতাংশ নগদে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আকারে পরিশোধের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রমিকদের শতভাগ পাওনা এককালীন পরিশোধের নিমিত্তে যাবতীয় পাওনাদির হিসাব নিরীক্ষাপূর্বক চূড়ান্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নিরীক্ষা শেষে করিম জুটমিলের পূর্বে অবসর গ্রহণকারী ও সম্প্রতি অবসানকৃত শ্রমিকদের যাবতীয় পাওনা বাবদ প্রয়োজনীয় অর্থ ইতোমধ্যে ছাড় করেছে। সেই অর্থ থেকে মঙ্গলবার করিম জুটমিলের সকল শ্রমিকের পাওনার ৫০ শতাংশ নগদে (ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে) পরিশোধ করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ সঞ্চয়পত্র আকারে পরিশোধের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অবসায়নের পর মিলগুলি সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপি/যৌথ উদ্যোগ/জি টু জি/ লীজ মডেলে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন মডেলে পুন:চালুকৃত মিলে অবসায়নকৃত বর্তমান শ্রমিকেরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাবে। একই সাথে এসব মিলে নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ