৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, বিকাল ৫:২৯

ফল ঘোষণার আগে রাজ্যপালের সঙ্গে মিঠুনের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিম বঙ্গ বিধান সভা ভোটের ফলাফল ২ মে প্রকাশ করা হবে। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী কী পশ্চিবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ? গত ১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের দিন তার গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার পর থেকেই এই জল্পনার সূত্রপাত। সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়ে ভোট গণনার ঠিক আগের দিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

এদিকে, প্রায় সব বুথ ফেরত সমীক্ষাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েও এগিয়ে রেখেছে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূলকেই। কিন্তু শনিবার ( ১ মে) দুপুরে আচমকাই মিঠুন রাজভবনে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়। তিনি কী কারণে রাজভবনে এসেছিলেন, তা অবশ্য খোলসা করেনি কোনও পক্ষই।

তবে বিজেপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, রাজ্যে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেই রুপালি পর্দার ‘ফাটাকেস্ট’ দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যপালের।

তবে মিঠুনের রাজভবন যাওয়া কেবল কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে, তা মানতে নারাজ অনেকে। কারণ এ বারের ভোটে তিনি প্রার্থী না হলেও, প্রচার করেছেন জোর কদমে। তাই তাকেই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ভাবা হচ্ছে। আর ভারতীয় সংবিধান নিয়মানুযায়ী, কোনও ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রী পদে আসীন হলে, ৬ মাসের মধ্যে তাকে যে কোনও কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হয়। আর বিজেপির বেশ কয়েকজন সাংসদ ইতোমধ্যে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। তাই তারা কেউ ভোটে জিতে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলে, সে ক্ষেত্রে মিঠুন ভোটে দাঁড়িয়ে বিধায়ক হয়ে সেই শর্ত পূরণ করতেই পারেন। তাই মহাগুরু মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলে, কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। সেই সংক্রান্ত বিষয়েই কি কথা বলতে রাজভবন গেলেন ‘মিঠুনদা’?

এমন জল্পনা বিজেপির কর্মী মহলে। আগ্রহ বিরোধী তৃণমূলসহ সংযুক্ত মোর্চার শিবিরেও। কিন্তু কেউই তাদের আগ্রহ প্রকাশ্যে দেখাতে নারাজ।

সূত্র: আনন্দবাজার।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ