আজ রবিবার, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

চেয়ারম্যান লায়ন বাবুলের বিবৃতি

২০২১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতিকে সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদে বিনা প্রতদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান ওরফে লায়ন বাবুল। দলমত নির্বিশেষে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের আস্থাভাজন ও দলীয় শৃঙ্খলায় থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে তরান্বতী করতেই নিরলস পরিশ্রম করছেন জনপ্রিয় আওয়ামী লীগের এই নেতা।

বারদী ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের ভালবাসায় শিক্ত হওয়া মাহবুবুর রহমান নিজেকে নেতা মনে করেননা। তিনি নিজেকে উপ মহাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসেবে মনে করে থাকেন। তিনি নিজেকে সর্বপরি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন সৈনিক মনে করে বারদী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয়দের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ইতিমধ্যে তার বেশ কিছু বক্তব্যকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

সর্বশেষ গত ১৯ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করতে যায় সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ-সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করার জন্য সেখানে কোন ইমাম উপস্থিত না থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে সিনিয়র নেতাকর্মীদের অনুরোধে লায়ন বাবুল মোনাজাত পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি খুনিদের হাতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ যেন নিহত শহীদদের জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন এম দোয়া করতে চাইলেও অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেন। যা নিয়ে ইতিমধ্যে সর্বত্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনেকেই বিষয়টি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে মনে করলেও বর্তমান চেয়ারম্যান লায়ন বাবুলের প্রতিপক্ষরা ওই দিনের মোনাজাত করার ধারণকৃত ভিডিও সুপার এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লায়ন বাবুল।

দৈনিক সংবাদচর্চার সাথে আলাপকালে তিনি জানিয়েন, মোনাজাত পরিচালনার মাঝপথে তার কণ্ঠনালীতে সামান্য সমস্যার সৃষ্টি হলেও কয়েক সেকেন্ডের জন্য থেমে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাৎক্ষনিকভাবে পুনরায় মোনাজাত সঠিকভাবে সম্পন্ন করেন। কিন্তু একটি মহল ওই সময়কার খিছু খন্ডচিত্র ভুলভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে মোনাজাতের বিষয়বস্তু পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন।

লায়ন বাবুল বলেন, তিনি দীর্ঘদিন থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আওয়ামী লীগ করেন বলেই বিএনজি জোট সরকারের সময় বহু নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। সেই সাথে বিএনজি জোট সরকারের আমালে রাজনৈতিক বহু মামলার আসামী হয়েছেন। লায়ন বাবুল দাবী করেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছায় তিনি নৌকা প্রতীকের মাধ্যমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানকার পূর্ববর্তী চেয়ারম্যানগণ দলীয় শৃঙ্খলা কিংবা বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যহত রাখতে না পারার কারণেই দল তাকে মনোনীত করেছেন। ওই পক্ষটি দলের সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করে প্রতিনিয়তি তাকে (লায়ন বাবুলের) দলীয়ভাবে কণঠাসা করার জন্য অপ তৎপরতা চালিয়ে আসছে। লায়ন বাবুল আরো বলেন, গত ১৯ নভেম্বরের মোনজাত পরিচালনা করার সম্পূর্ণ ভিডিওটি ভালো করে নজর দিলেই বিষয়টি পরিস্কার হবে মানুষ।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ