ক্যাসিনোতে সংশ্লিষ্ট ২০ জনের তালিকা দুদকে

98

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ  বলেছেন, ‘ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন এমন অভিযোগে ১৫ থেকে ২০ জনের তালিকা দুদকের হাতে এসেছে। তাঁদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যদিও ক্যাসিনো-সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দুদকের কাজ নয়। শুধু অবৈধ সম্পদ অর্জনের অংশটুকু দুদকের তফসিলভুক্ত।’ সোমবার সকালে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, যুবলীগ নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশের চার দিনের মাথায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করে র‌্যাব। ওই দিনই গুলশানের বাসা থেকে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্র আইন, অবৈধভাবে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগে গুলশান ও মতিঝিল থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে হলুদ রঙের বিশেষ ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেট ও অস্ত্রসহ কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এছাড়া অভিযানে ক্যাসিনো চালানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও জুয়া খেলার বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

ওইদিনই নিকেতনের ১১৩ নম্বর বাসা থেকে যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

এ সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ও একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইন ক্যাসিনোর প্রধান রূপগঞ্জের সেলিম প্রধানকে ঢাকা হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে আটক করা হয়। সর্বশেষ রবিবার (৬ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে যুবলীগের ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্লাবপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে জুয়ার আসর ও ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

For Advertisement: 01921400867/ 01981617415

সংবাদচর্চায় প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, ছবি, ভিডিও, তথ্য কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।