২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, বিকাল ৫:৫৫

করোনার টিকা প্রয়োগ নীতিমালা চূড়ান্ত

অনলাইন রিপোর্ট: করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

মঙ্গলবার ( ৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ১৩৭ পৃষ্ঠার এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনার টিকা উৎপাদন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া, যা বেক্সিমকোর মাধ্যমে বাংলাদেশে আসবে। সেরামের এই টিকা সোমবার রাতেই জরুরি আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

এদিকে, ভারতের চাহিদা মিটিয়ে অন্য দেশকে করোনার টিকা দেবে সেরাম-এমন শিরোনামে রবিবার গভীর রাতে আন্তর্জাতিক একটি গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা নিয়ে দেশে হুলুস্থুল চলে গতকাল সোমবার দিনভর। তবে এই খবর সঠিক নয় দাবি করে ভারত বলছে, সময়মতোই টিকা পাবে বাংলাদেশ। 
সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী যথাসময়েই অন্য দেশের আগে এবং ভারত থেকে বাইরে টিকা রফতানির প্রথম দেশ হিসেবে টিকা পাবে বাংলাদেশ। চলতি জানুয়ারির শেষ দিকে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বাংলাদেশ টিকা পাবে বলে এখনও আশাবাদী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

১৩৭ পৃষ্ঠার এ নীতিমালায় ভ্যাকসিন প্রয়োগের বিষয়টি তদারকি করতে পৃথক একটি ট্রাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়। একই সময় উল্লেখ করা হয়, দেশে ভ্যাকসিন আসার আগে থেকে নানা বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে। তবে ভ্যাকসিন আসার পরও এর লোকবল নিয়োগ, কারিগরি সহায়তা, কাগজপত্র প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হবে ৮ সপ্তাহ সময়।

শুরুর ধাপে ৩ শতাংশের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া সম্ভব হবে না। তবে ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে এ সংখ্যা। দ্বিতীয় ধাপে ৭ ভাগ, তৃতীয় ধাপে ১১-২০ ভাগ মানুষকে দেয়া যাবে টিকা। পর্যায়ক্রমে ২১-৪০ ভাগ, ৪০-৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে। 

এ নীতিমালায় বড় একটি অংশ জুড়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে টিকার নিরাপত্তা ও সংরক্ষণের বিষয়টি। কি পরিমাণ কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে, সেটিও পরামর্শ দেয়া হয় নীতিমালায়। রোহিঙ্গাদের টিকা দিতে আলাদা করে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। 

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতি পাওয়া টিকার ক্ষেত্রে প্রয়োগের আগে দেশে কোন পরীক্ষা করা হবে না। তবে, স্থানীয় পর্যায়ে আবিষ্কৃত টিকা কিংবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন ছাড়া আমদানি করা টিকার ক্ষেত্রে শুরুর ৩ দফায় ল্যাব পরীক্ষা করা হবে। জরুরি প্রয়োজনের জন্য থাকবে রিস্ক ম্যানেজম্যান্ট টিম।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ