আজ বুধবার, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

‘কমিটির উদ্দেশ্য নির্বাচন’

টি .আই.আরিফ:

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি আছে। এড. তৈমূর আলম খন্দকারকে আহবায়ক ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সদস্য সচিব করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে বিএনপি। গত ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন এ আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলে, যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, নাছির উদ্দিন ( তারাব), আব্দুল হাই রাজু, লুৎফর রহমান আবদু, এড .মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, জাহিন হাসান রোজেল, নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, সদস্যরা হলেন, খন্দকার আবু জাফর, নজরুল ইসলাম টিটু, এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, শরীফ আহমেদ ( টুটুল চেয়ারম্যান) , মাহমুদুর রহমান সুমন, মোশারফ হোসেন, বশির উদ্দিন বাচ্চু , হাজী সেলিম, মোশারফ হোসেন ( সোনারগাঁ,পৌরসভা) , আশরাফুল হক রিপন, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, রিয়াদ মোঃ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবু, মো: দুলাল হোসেন, মো: কাশেম ফকির, ইউসুফ আলী ভুঁইয়া, আব্দুল আজিজ মাস্টার, এম এ হালিম জুয়েল, গুলজার হোসেন ( চেয়ারম্যান) , শাহ আলম হিরা, নুরুন্নাহার বেগম, একরামুল কবির মামুন, শাহ আলম মুকুল, মোস্তাকুর রহমান, রিয়াজুল ইসলাম, রহিমা শরীফ মায়া, রুহুল আমিন, কামরুজ্জামান মামুন, হামিদুল্লাহ খাঁন, মো: বাকির হোসেন, আল মুজাহিদ মল্লিক, জুয়েল আহমেদ । গেল নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র নির্বাচন করায় এড .তৈমূর আলমকে দলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর রবিকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করা হয়। রবি তৈমূরের নির্বাচন করায় এবং গ্রেফতার হওয়ায় তার পরিবর্তে আলহাজ¦ নাসির উদ্দিনকে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী আলহাজ¦ নাসির উদ্দিন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক। তাকে অনেকটা এড়িয়ে চলছে মামুন মাহমুদ। দলীয় কিছু বিষয় তাকে ছাড়াই করছে। তাকে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে বিএনপির একাংশের মধ্যে। সাবেক এমপিদেরও মানছে না মামুন। গতকাল এক অনুষ্ঠানে তিনি তার পদকেই প্রধান্য দিয়েছেন। জেলা বিএনপির অন্য নেতাদের গুনায় ধরেন না।

মামুন মাহমুদ বলেছেন, আপনারা চেষ্টা করবেন প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হোক, আওয়ামী লীগের ভাইদের ম্যানেজ করে হোক সম্মেলনটা করতে। যদি পুলিশ মঞ্চ ভেঙে দেয়, দিবে। যদি দুয়েকজন এ্যারেস্ট হয়, হয়ে যাক। ব্যানার নিলে নেক। কিন্তু সম্মেলনের আয়োজন করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকার নয়াপল্টনে এক সভায় একথা বলেন তিনি। বৈঠক শুরুর আগে মামুন মাহমুদের হাতে কয়েকটি কমিটির খসড়া তালিকা তুলে দেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হাই রাজু।
মামুন বলেন, আপনারা যেসকল ওয়ার্ড লিস্ট করেছেন তাদের ধন্যবাদ। যারা এখনও করেননি তারা তিনদিনের মধ্যে করে জমা দিয়ে দিয়েন। দুয়েকটা ওয়ার্ডের ফরম পেলেও তো তারা যে অভিযোগ করছে জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে সেটা বন্ধ হয়। জেলা বিএনপিতে এখন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক। আজকে একজন তো কালকে আরেকজন। যেহেতু আমার পদটা এখানে স্থির, ফলে জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা। আমি এগুলো মোকাবিলা করছি, আপনারাও সোচ্চার হোন। আপনারাও আপনাদের ওয়ার্ডগুলোকে চাঙ্গা করলে এগুলো থেমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, দলের মধ্যে যদি সম্মেলনকে ঘিরে কোন গ্রুপ ষড়যন্ত্র করে সেটাকেও আপনারা চিহ্নিত করে মোকাবিলা করবেন। পিছিয়ে থাকার কোন কারণ নেই। সামনে নির্বাচন, আমাদের নির্বাচন করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে আমাদের এই আসন উপহার দিতে হবে। এগুলো মাথায় রাখবেন। কমিটি করার উদ্দেশ্য হল আন্দোলন এবং নির্বাচন। সুতরাং সেটা মাথায় রাখবেন। কেন্দ্রভিত্তিক গুরুত্ব দিবেন। কাকে পদ দিলে কেন্দ্রটা নিরাপদ হবে এগুলো মাথায় রাখবেন।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ