১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, রাত ৩:২৪

এ চার্জশীট মানি না:শামীম ওসমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শামীম ওসমান বলেছেন, আগে যে তদন্ত হয়েছে সেই তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার বক্তব্য ঠিকমত তুলে ধরেনি। আমি কোন সমঝোতা করবো না। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আমার দলের সাধারণ সম্পাদককে বলেছি আমি এ চার্জশীট মানি না। চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য প্রদান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান এমপি শামীম ওসমান।

আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান বলেন, ঘটনার পরে আমি সাক্ষ্যতে যে জবানবন্দী দিয়েছিলাম এখন দেখি বিচার চলাকালে সেই কথা কিছুই নাই। আমাদের বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগে যে তদন্ত হয়েছে সেই তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার বক্তব্য ঠিকমত তুলে ধরেনি। আমি কোন সমঝোতা করবো না। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আমাদের দলের সেক্রেটারী (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) কে বলেছি, আমি এ চার্জশীট মানি না। দাখিল করা চার্জশীটের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত চেয়েছেন জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, আমি চাই এ ঘটনায় যারা প্রকৃত দোষী তাদের যেন বিচার হয়। আর যিনি দোষী না তিনি আমার প্রতিপক্ষ হলেও যেন সাজা ভোগ না করে। আদালত আমার বক্তব্য শুনে কনভেন্স হয়েছেন। আদালত পরে ওই আদালতের এপিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন পিটিশন দেয়ার জন্য।

সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকালে শহরের ২ নম্বর গেট এলাকায় জেলা ও শহর আওয়ামী লীগের অফিস থাকলেও চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনে আরেকটি অফিস করেন শামীম ওসমান অনুসারীরা। নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান সে সময়ে ওই অফিসে নিয়মিত বসতেন। ২০০১ সালের ১৬ জুন আওয়ামীলীগ সরকারের মেয়াদের শেষদিকে চাষাঢ়া আওয়ামীলীগ অফিসে বসে বিভিন্নজনের নানা সমস্যার কথা শুনছিলেন শামীম ওসমান। তিনি যে রুমে বসা ছিলেন সে রুমে হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। তবে বোমা বিস্ফোরণের কিছুক্ষন আগে পাশের রুমে চলে গিয়েছিলেন শামীম ওসমান। ওই ঘটনায় ২০ জন নিহত হয়। চিরতরে পঙ্গু হয় দুইজন। আহত হয় এমপি শামীম ওসমান।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ