নিজস্ব প্রতিবেদক:
সারা দেশব্যাপী চলা মাদকবিরোধী অভিযানে বৃহস্পতিবার পাঁচ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৮ জন নিহত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় ৬ পুলিশও আহত হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় খুচরা ও চুনোপুটি টাইপের মাদক ব্যবসায়ীই নিহত হয়েছে। মাদকের মুলহোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ মে) ফেনী, মাগুরা, কুমিল্লায় দুজন করে এবং নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন করে আরও দুজন নিহত হয়েছে।
অর্ধমাসের বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। আজকের ৮ জন নিয়ে মাদক বিরোধী অভিযানে দেশজুড়ে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫২ জন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, নিহত সবার বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা ছিল এবং তাঁরা মাদক ব্যবসায়ী। আর প্রত্যেকেই নিহত হয়েছে বন্দুকযুদ্ধে। আইন-শ্ঙ্খৃলা বাহিনী নিজেদের জীবন বাঁচাতেই গুলি চালিয়েছেন বলেও তাঁরা জানান।
মাদকের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান সমর্থনযোগ্য। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে অভিযানে যারা নিহত হচ্ছে তাঁরা অধিকাংশই ছোট খাট, খুচরা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সরাবরাহকারী। এইসব খুচরা মাদক বিক্রেতা বা মাদক ব্যবসায়ীকে ধরা বা ক্রসফায়ারে দিলেও মাদক ব্যবসায় তেমন কোন প্রভাব পড়বে না। অতীতেও আমরা এমনটাই দেখেছি। মূল হোতাদের যদি আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দেওয়া যায়। পাশাপাশি মাদকের মূল গুলো নির্মূল করা না যায়। তাহলে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান সফলতা না আসার সম্ভাবনাই বেশি। বড়জোর মাদকের বিরুদ্ধে এই চলমান অভিযানে কিছুদিন হয়তো মাদক সরাবরাহ কম থাকবে তারপর আবারো চলবে জমজমাট মাদক ব্যবসা।


