নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগ নেতা ও তিনটি বৈষম্য বিরোধী মামলার আসামী কে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুব আলম কে নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্টের পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট পরিচয়দানকারী জৈনক জোনায়েত ইসলাম।
ওসি স্বাভাবিক ভাবেই ফোনের ও প্রান্তে থাকা প্রেসিডেন্টের পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট পরিচয়দানকারী জৈনক জোনায়েত ইসলামের প্রতিটি কথা শুনছিলেন এবং উত্তরও দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে ওসি তাকে প্রশ্ন করেন আপনার গ্রামের বাড়ী কোথায়? প্রতি উত্তরে মুঠো ফোনেরমও প্রান্ত থেকে বলো টাঙ্গাইল। এরপর ওসি বলেন প্রেসিডেন্ট মহাদয়ের বাড়ী তো ঠাকুরাগাও। ওসি তখন তাকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলেন। কিন্ত প্রেসিডেন্টের পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট পরিচয়দানকারী জৈনক জোনায়েত আর ফোন দেননি।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান,তিনটি বৈষম্য মামলার আসামী ও কুতুবপুর ইউনিয়ন ৩ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শারজাহান সরকার কে পুলিশ বুধবার বিকেলে ভুইগড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। রাত ১২ টার দিকে তার সরকারি নাম্বারে 01337596134 নাম্বার থেকে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থাকা ব্যক্তিটি নিজেকে প্রেসিডেন্টের পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট পরিচয় দিয়ে গ্রেফতারকৃত শারজাহান সরকার কে ছেড়ে দিতে বলে। তিনি তখন বলেন সেতো আওয়ামীলীগের পদধারী নেতা এবং একাধিক মামলার আসামী।তারপরও তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। প্রথম থেকে তার সন্দেহ হওয়ার তিনি তাকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলেন। সে আর ভিডিও কল দেয়নি কথাও বলেন নি।
তবে যে নাম্বারটি দিয়ে কথা বলেছে কলার ট্রুতে তার ছবি সহ তার নাম ভেসে উঠে “জোনায়েত হোম কিপার”।
তিনি প্রথমেই বুজতে পেরেছিলেন এটা ফেক পরিচয় দিয়ে কল করেছে। তাই তিনি তার সাথে সেভাবেই কথা বলেছিলেন।
জানা যায়, শারজাহান সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক বৈষম বিরোধী মামলা রয়েছে।৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি পলাতক।বুধবার সে এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভুইগড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শারজাহান সরকার কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শারজাহান সরকার(৫৫) ফতুল্লা মডেল থানার পশ্চিম ভুইগরের মৃত আফজাল হোসেনের পুত্র।