নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত শহীদ বাদল বলেছেন, গোলাম দস্তগীর গাজী ভাইয়ের অসুস্থতার কথা শুনে আমাদের মনটা খুব কাকুতি মিনতি বেকুট হয়ে গেছে। আমি সব সময় উনির খোঁজ খবর নেই।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাতৃতুল্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রিয় রূপগঞ্জবাসী। বৃহষ্পতিবার (রূপগঞ্জে) গাজী ভাই আসলে তার আগে থেকেই তিন দিন মেলার প্রস্তুতি থাকে। উনার গোটা পরিবার মানুষের খোঁজ খবর নেয় মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকেন। এখন আমাকে (বাদল) যদি জিজ্ঞেস করা হয়, যে গাজী গোলাম দস্তগীর শুধু রূপগঞ্জে সাহায্য করেন জি না ভাই এটা ভুল কথা । উনি (গাজী) আপমর নারায়ণগঞ্জের এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে উনাকে বলা হলে সাহায্য না করেন। তিনি সব জায়গায় সাহায্য করেন। নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে গাজী ভাইয়ের এক কোটি টাকার অনুদান রয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে তারাবো পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকায় যুবলীগ কার্যালয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীকের সুস্থতা ও তার ছোট ছেলে বাপ্পীর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে বাদল এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কাগজে লেখা না পাথরেও লেখা না কিন্তু অনেকের ছবি ভাসলেও মনের ভিতরে গাজী ভাইয়ের কথা এত সুন্দর ভাবে লেখা। সবাই বলছিলো গাজী ভাইও এখানে।
তিনি বলেন, আল্লাহ বাঁচায়ে রাখলে কেউ মারতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। রূপগঞ্জের সাধারণ মানুষগুলো গাজী ভাইয়ের। এমন কোনো পাড়া মহল্লা ইউনিয়ন মসজিদ নাই যেখানে গাজী ভাইয়ের জন্য দোয়া হয় নাই। আমার (বাদলের) একটা বঙ্গবন্ধু পাঠাগার আছে সেখানেও তার জন্য দোয়া হয়েছে। আমি উনাকে (গাজীকে) ভালোবাসার জন্য এখানে এসেছি। আমরা গাজী ভাই ও তার ছেলের জন্য দোয়া করব। আল্লাহ তাদের হায়াত দিলে দেশের সমাজের উপকার হবে। সবাই মিলে দোয়া করলে আল্লাহ সে দোয়া কবুল করে। সবাই গাজী ভাইয়ের জন্য তার ছেলের জন্য তার পরিবারের জন্য দোয়া করেছে।
বাদল বলেন, হাসিনা আপার অত্যন্ত আস্থাভাজন বীর সিপাহসালা গাজী ভাই। রূপগঞ্জবাসী না সারা বাংলাদেশে গাজী ভাইয়ের মতো লোক আপনারা খুঁজে পাবেন না। এটা খুশিকরার জন্য বলছি না। কিছু দিন পর বীর মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া যাবে না। উনি বীর প্রতীক। উনি বিশেষ ভাবে পুরস্কৃত।
বাদল আরো বলেন, গাজী ভাই এই রূপগঞ্জবাসীকে যেভাবে আগলে রেখেছেন সারাক্ষণ। একদিন গাজী ভাইকে বলতেছে ভাই আপনি নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি করেন। তখন গাজী ভাই বলেন না না দরকার নাই আমাকে আমার রূপগঞ্জ নিয়ে থাকতে দিন। এই লোকটাকে কি মানুষ সারা জীবন চাবে না। উনির কথা আমাকে একদিন আজম ভাই জিজ্ঞাস করছে। গাজী ভাই ভালো লোক দেখে আজম ভাই জিজ্ঞাস করছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মেহের, তারাব পৌর যুবলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন রাসেল, যুবলীগ নেতা স্বপন মোল্লা, এমি ভূইয়া, জামান মোল্লা, মামুন মোল্লা, শওকত সাউদ ।