নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দরঃ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় এলাকায় সৌদিয়া বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বিস্কুট, চানাচুর, কেক, পাউরুটি, মিষ্টি ও সন্দেশ। পাড়া মহল্লার দোকান থেকে শুরু করে নামী-দামি দোকানেও বিক্রি হচ্ছে এসকল খাবার।
গতকাল (১৬ই মার্চ) শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দর উপজেলার ধামগড় বাজারস্থ সৌদিয়া বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে নানা ধরনের খাবার। স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশে ভেজাল ও নি¤œমানের উপকরণ দিয় অবাধে তৈরী করা হচ্ছে বেকারী সামগ্রী। শ্রমিকরা খালি পায়ে পণ্যের পাশ দিয়ে হাঁটাহাটি করছে, করখানার ভেতরে যেখানে তৈরী খাবার রাখা আছে সেখানেই নোংরা পরিবেশ, খাবারের চারপাশ যেন মাছি ঘিরে রেখেছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ, কেমিক্যাল এবং একাধিক পাম ওয়েলের ড্রাম। আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের তৈরী পণ্য।
আটা ও ময়দা প্রক্রিয়াজাত করানো কড়াইগুলোও রয়েছে অপরিস্কার ও নোংরা। ডালডা দিয়ে তৈরী করা ক্রিম রাখার পাত্রগুলো ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভন ভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ছাড়াই বাহারি মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারী সমাগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন চায়ের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, বিকল্প বেকারীর মোড়কে একাধিক প্যাকেট ঝুলছে পাউরুটি, বাটারবন, কেক, পেটিস, সিঙ্গারাসহ অন্যান্য খাদ্য পণ্য। বিকল্প বেকারীর উৎপাদিত বেকারী সামগ্রী পাউরুটিসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর মোড়কে বিএসটিআই, বিডিএস নম্বর লেখা নেই।
মোড়কের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ নেই। বেকারীর ম্যানেজারের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমাদের কারখানায় মালিকের হুকুম ছাড়া এ ব্যাপারে আমরা কিছু বলতে পারবো না। আপনারা পারলে যা খুশি লিখেন।