খালেদার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি, নাশকতা হলেই রুখবে আওয়ামী লীগ
নবকুমার:
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় হচ্ছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। আর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার দিনক্ষণ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে অনেকের মতো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিচারাধীন এ মামলা দুটির গতি-প্রকৃতি দেখে মনে করছেন, আদালতের রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে নানামুখী আলাপ-আলোচনা করছেন। সেইসঙ্গে আদালতের রায় ঘোষণার পর দেশজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাশকতার আশঙ্কার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রয়েছে। তাদের অনেকেই এ ব্যাপারে দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় নির্দেশনা জানতে চাইছেন। শীর্ষ নেতারা এ ব্যাপারে দলীয়ভাবে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আদালতের রায় নিয়ে আগাম মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নেই। তবে কেউ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করলে সেটা নিয়ন্ত্রণ করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সেইসঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলায় দলীয়ভাবেও প্রস্তুতি থাকবে।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, তথাকথিত আন্দোলনের নামে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করলে তা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করা হবে। নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকবেন। সেইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় অতীতের মতো আগামীতেও সক্রিয় থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন নেতা বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি শক্তভাবে সামাল দেওয়ার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আদালতের রায় ঘোষণার পরপরই সবকিছু চূড়ান্ত করা হবে। এর আগপর্যন্ত নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন। প্রস্তুত থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ১৫টি টিমে বিভক্ত হয়ে আজ শুক্রবার থেকে দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরে যাচ্ছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা প্রতিটি টিমের নেতৃত্বে থাকবেন। এ সফরসূচির সাংগঠনিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

