নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো.জসিম উদ্দিন বলেছেন, সবই হয় কিন্তু আসল জিনিসটাই হয় না।কর্মসূচি হচ্ছে আপনারা আসবেন, জানবেন, তারপরে চলে যাবেন। যার যা করণীয় তা যদি না করেন তাহলে এই কর্মসূচি সফল হবে কীভাবে। এখান থেকে মেসেজ নিয়ে গিয়ে চুপ করে মুখ বুজে বসে থাকলে চলবে না। আপনাদের সবাইকে শতভাগ কাজ করতে হবে। যক্ষ্মা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন করতে হবে। যক্ষ্মা প্রতিরোধে প্রচার-প্রচারণার মধ্যদিয়ে যক্ষ্মা প্রতিরোধ সম্পর্কে সবাইকে আবগত করার জন্য বেশি বেশি প্রচেষ্টা করতে চালাতে হবে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ নতুন কোর্ট সংলগ্ন হিমালয় চাইনিজ এন্ড কমিউনিটি সেন্টারে যক্ষ্মা বিষয়ক কর্মসূচিতে আগত মাঠ কর্মীদের উদ্দেশে ডিসি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন , নারায়ণগঞ্জের যে সকল দুর্যোগ রয়েছে তা যদি আমরা জয় লাভ করতে পারি তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ একটি দুর্যোগমুক্ত উন্নত পরিবেশে পরিণত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা.মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ , জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিভাগীয় যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞ ডা.আহমেদ পারভেজ জাবীন, ঢাকা মহাখালি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরএএসপি টিবিএল লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা.শামিউল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা.আবু জাহের,সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম , জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিন্দ্র কুমার মন্ড, জেলা শিক্ষা অফিসার মো.শরিফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.বসির উদ্দিন, সহকারী কমিশনার মো. জাকির হোসেন, জেলা ইপিআই সুপার মো. লুৎফর রহমান, সিভিল সার্জন অফিসের পিও মো. আলতাফ হোসেন, জেলা স্বাস্থ্য অফিসার স্বর্ণ কুমার দেকনাথ।

