আজ রবিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সতর্ক থাকতে হাইকমান্ডের নির্দেশ

সংবাদচর্চা রিপোর্ট:

চব্বিশের ভোটকে ঘিরে ষড়যন্ত্র থামছে না। দেশে ও বিদেশে ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সুযোগ সন্ধানীরা গিরগিটির মতো রং বদলাচ্ছে। তাদের টার্গেট রূপগঞ্জ। এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজপথে তৎপর রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক এমপি, ও তার অনুগতরা। ক্ষমতাসীন দলের দাপটে মাঠে নামতে পারছে না বিরোধী দল।
এবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দলের নেতাদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে দলকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি যে কোনো ধরনের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। অনেকেই এমন গতিতে একটি দেশের অগ্রগতি চায় না-তাই, তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’
আওয়ামী লীগের সারা দেশের জেলা শাখার নেতাকর্মীরা বুধবার ১২ এপ্রিল গণভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ সময় সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করে জনগণের কল্যাণে আরও সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমরা চাই আওয়ামী লীগের সংগঠন আরও শক্তিশালী হোক।
আওয়ামী লীগ সভাপতি দলীয় নেতা কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেন যে- দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে। কারণ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মতো রাজনৈতিক দলগুলো সামরিক স্বৈরশাসকের পকেট থেকে গঠিত হয়েছিল। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মতো দল মাটি ও মানুষের দল নয়।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো ভোট কারচুপির প্রয়োজন নেই কারণ তারা সবসময় জনগণের সেবা করে তাদের আস্থা অর্জন করে ক্ষমতায় আসে। আওয়ামী লীগ কখনোই ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আসে না।’ যারা ( বিরোধী দল) নির্বাচনের কথা বলছে, তারা বন্দুকের মুখে ক্ষমতায় এসেছে। ‘তাই, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।’ ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি, এ নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছিল ২৯ আসন। ‘বিএনপি এখনও তাদের আগের অবস্থানে অটলরয়েছে। অথচ দেশ ও জনগণের উন্নয়নে কাজ করে আওয়ামী লীগ তার অবস্থানকে আরও এগিয়ে নিয়ে গেছে। দলনেত্রীর নির্দেশ সংগঠন গোছাচ্ছে গোলাম দস্তগীর গাজী। ৪র্থ বার সংসদ সদস্য হওয়ার চেষ্টায় আছেন তিনি। তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগ কে অত্যন্ত শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলেছেন তিনি। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রূপগঞ্জের ৪০ টি স্পটে শান্তি সমাবেশ ও মিছিল করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী। এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশের সময় রূপগঞ্জের রাজপথ দলে রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী। ৩০ টি স্পটে সেদিন প্রতিবাদ মিছিল করেন তিনি। যা নারায়ণগঞ্জের অন্য এমপিদের করতে দেখা যায়নি। সর্বশেষ গত ৮ এপ্রিল বিএনপির নৈরাজ্য প্রতিহত করার লক্ষ্যে সারা রূপগঞ্জে শান্তি সমাবেশ ও সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল করেন তিনি। গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে নেই কোন অনিয়ম ,দুর্নীতির অভিযোগ। মন্ত্রী হিসেবে গত ৪ বছরে স্থানীয় প্রশাসনের উপর তার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি । বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ,উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাঁর প্রশংসা করেন। তাঁর চেষ্টায় রূপগঞ্জের দুটি পৌরসভা ও ৬ টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত —। এছাড়া জেলার নেতারাও তৎপর হচ্ছে।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ