৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, রাত ৮:৪১

শরতের অচেনা বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আষাঢ় শেষ হয়েছে অনেক আগেই, চলে গেছে শ্রাবণও। বর্ষা শেষে এখন চলছে শরৎকাল। ভাদ্রের এ সময় ঝলমলে রোদের সঙ্গে আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ভাসার কথা থাকলেও, অঝোরে ঝরে চলেছে বৃষ্টি। কখনো ঝিরিঝিরি তো কখনো ঝুম। গত কয়দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির ধারায় ভিজে চলেছে গোটা জেলা। আর তাই খেটে খাওয়া, কর্মজীবি মানুষ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষের দূভোর্গের শেষ নেই। একদিকে গনপরিবহনের সিমাহীন ভাড়া বৃদ্ধি। অন্যদিকে পনিতে তলিয়ে গেছে পাড়া-মহল্লা। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে অঝোর এ বৃষ্টির ধারা আরো কিছুদিন চলবে।

জানা গেছে, দিনভর বৃষ্টিতে সাধারন মানুষের দূর্ভোগের শেষে নেই। গনপরিবহনের সংকোট না থাকলেও ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কখনো ২০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা আবার কখনো ২০ টাকার ভাড়া ৬০ টাকা নেয়া হচ্ছে। কর্মজীবি এসব মানুষ এক প্রকার জিম্বি হয়েই চলাচল করছে ভাড়া বেশি দিয়ে। এছাড়াও টানা বৃষ্টিতে শহর সহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় পানি জমে গেছে। অনেক এলাকায় হাটু পানি জমে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভারতের মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। যা বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের পশ্চিমভাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় রয়েছে। এর কেন্দ্রস্থল দেশটির বিহার ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল ও ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়াও লঘুচাপটির একটি বর্ধিতাংশ ভারত ও বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী বায়ু। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া এসব জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্র বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ তিন দিনের পূর্বাভাসে আবাহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ের মধ্যে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পূর্বাভাসে কর্মজীবি সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চড়ম দূভোর্গের আশংকা করছে।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ