আজ শুক্রবার, ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

রেকর্ড গড়লেন গাজী

নবকুমার :

বিরোধী দল বিপাকে। সহজে ভাংতে পারবে না এ রেকর্ড। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সদস্য সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের টানা ১৪ বছর পূর্ণ করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। তিনি ২০০৮, ২০১৪,২০১৮ সালে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গাজী ছাড়া রূপগঞ্জে টানা এতদিন ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড কারও নেই। ৪র্থ বার সংসদ সদস্য হওয়ার চেষ্টায় আছেন তিনি। দলের নেতাকর্মীরাও মন্ত্রীর পক্ষে । মানবিক কাজেও সক্রিয় তিনি। তার নিজ নির্বাচনী এলাকা রূপগঞ্জ উপজেলার কিডনী রোগীদের জন্য বিনা খরচে তিনি কিডনী ডায়ালাইসিস ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণ মানুষও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগতম জানিয়েছে। তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগ কে অত্যন্ত শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলেছেন তিনি। রূপগঞ্জ থেকে রাজনৈতিক সাপোর্ট পাচ্ছে ঢাকা। দল মতের উর্ধ্বে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি রূপগঞ্জ ছেড়ে যাননি। বিগত ১৪ বছর তাকে কর্মীদের পাশেই দেখা গেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এখনও তিনি রাজপথে সরব। তার মাধ্যমে খড়া কাটে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে মন্ত্রী হওয়ার। নারায়ণগঞ্জ থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ-১ ( রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক। মন্ত্রী হওয়ার চার বছরে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা , মহানগর ,উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সু-সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। কারো সাথে বিরোধ করেননি। বিভিন্ন সময় তিনি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল হাই , সাধারণ সম্পাদক বাদল, মেয়র আইভী , মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, এমপি শামীম ওসমান, নজরুল ইসলাম বাবু ,সেলিম ওসমান , লিয়াকত হোসেন খোকাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মিটিং করেছেন। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। সবার সাথেই তার সু সম্পর্ক রয়েছে। জেলার রাজনীতিতে তার শক্তিশালী বলয় গড়ে উঠছে। তার কর্মগুনে ২০২০ সালে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নেতৃত্বে গত রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ,ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী হয়। কাঞ্চন পৌরসভায় প্রথম আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়েছে। দাউদপুরে আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলো না। তারাব পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাছিনা গাজী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হয়। গেল ইউপি নির্বাচনে রূপগঞ্জে ৫টির মধ্যে ৪ টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। কায়েতপাড়া ছিলো তার মধ্যে অন্যতম চমক।
গত ১৪ বছরে স্থানীয় প্রশাসনের উপর তার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি । জেলা প্রশাসন ,উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসনের তিনি আস্থা অর্জন করেছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তারা মন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন। তার নামে নেই কোনো অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ। করোনাকালে তিনি রূপগঞ্জে গাজী পিসিআর ল্যাব স্থাপন করে নারায়ণগঞ্জ এবং এর আশেপাশের জেলার মানুষকে রক্ষা করেছেন। ভুলতা ফ্লাইওভার , মুড়াপাড়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর বীর প্রতীক গাজী সেতু উদ্বোধন হয়েছে। রূপগঞ্জে সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। মুড়াপাড়া কলেজ তিনি জাতীয়করণ করেছেন। তার সুফল পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া যুব মহিলা লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে রূপগঞ্জ থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান করেন তারাব পৌরসভার মেয়র হাছিনা গাজী। গত ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ ঘিরে রূপগঞ্জের রাজপথ দখলে রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। ৩০ টি স্পটে প্রতিবাদ মিছিল করেন মন্ত্রী। যা নারায়ণগঞ্জের অন্য এমপিদের করতে দেখা যায়নি।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ