আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৩০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রূপগঞ্জ থানা বিএনপির কমিটি স্থগিত চেয়ে আবেদন

নবকুমার:

কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ এনে সদ্য ঘোষিত রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি স্থগিত ঘোষণা করার আবেদন করেছেন দলটির পদ বঞ্চিত ৬ নেতা। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে তারা এই আবেদন করেন। আবেদনপত্রে স্বাক্ষরকারীরা হলেন গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, রমিজ উদ্দিন, মজিবুর রহমান মোল্লা, নূরুল্লাহ মোল্লা, শহিদুল্লাহ, জাহিদ হাসান ইমন। আবেদনপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে। তার অনুলিপি বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটুকে পাঠানো হয়েছে।
আবেদনকারীদের অভিযোগ তাদেরকে না জানিয়ে সম্মেলন ছাড়াই রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন। তারা সম্মেলনের মাধ্যমে পুনরায় কমিটি ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে।
গ্রুপিং আর কোন্দলে জর্জরিত দলটির নেতারা। রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিএনপির এমপি প্রার্থী কাজী মনিরুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক নাসির উদ্দিনকে রাখা হয়নি। গত ৪ ফেব্রুয়ারি রূপগঞ্জ থানা , তারাব ও কাঞ্চন পৌর বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর অনুগত নেতারা অধিকাংশ পদ ভাগিয়ে নেয়। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সুত্রের খবর বিএনপির বিভাগীয় টিম নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক গিয়াস ও সদস্য সচিব খোকনকে ঢাকায় ডেকেছিলেন। কাজী মনির ও নাসিরকে কমিটিতে না রাখার কারণ জানতে চেয়েছে। গিয়াস ,খোকন ভালো উত্তর দিতে পারেনি।
পদ বঞ্চিত নেতাদের অভিযোগ টাকা নিয়ে কমিটি করেছে। তারা আরও জানান, যারা কমিটি করেছে তারা দলের মঙ্গল চায় না। তৈমূরের অনুগতরাও কোণঠাসা।
এড. মাহফুজুর রহমান হুমায়ূনকে সভাপতি ও বাছির উদ্দিন বাচ্চুকে সাধারণ সম্পাদক করে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।
রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি- হাজী মোঃ সেলিম আহমেদ, হাজী আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপন, আব্দুল আজিজ মাস্টার, কাজী রেজাউল হক, এড.মাহমুদুল আহসান খোঁকা, মো: মোস্তফা কামাল, মো: আব্বাস উদ্দিন ভুঁইয়া, হারুনুর রশীদ মিয়াজী, এড.হেলাল উদ্দিন সরকার, আঃ মজিদ ভুঁইয়া , নূর নবী ভুঁইয়া, এড. গোলজার হোসেন (চেয়ারম্যান),আঃ মতিন (চেয়ারম্যান) , আলমগীর হোসেন টিটু ( চেয়ারম্যান),সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম জোসেফ, বেলায়েত হোসেন আকন্দ, মোজাম্মেল হক, হাবিবুর রহমান বাবুল, নির্বাহী সদস্য পদে আছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন, শরীফ হোসেন টুটুল। এদের মধ্যে কেউ কেউ দলের নির্দেশ অমান্য করে ইউপি নির্বাচনে লড়েছেন।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ