আজ রবিবার, ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

‘ভিতরে ভিতরে কঠিন দ্বন্দ্ব’

টি.আই.আরিফ

রূপগঞ্জে বিএনপির ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে খেলা শুরু হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে থানা বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রূপগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক এড. মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরীফ আহমেদ টুটুল চেয়ারম্যানের বাড়ি দাউদপুরে । তারা দুই নেতা দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে চান। সুত্রের খবর হুমায়ুন আলোচনা ছাড়াই তার অনুসারিদের দিয়ে ইউনিয়ন কমিটি করায় তা স্থগিত করা হয়েছে। জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দও তার কমিটির বিপক্ষে। তারপরও তলে তলে হুমায়ুন তার লোক দিয়ে কমিটি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

রূপগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক এড. মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরীফ আহমেদ টুটুলের ব্যাপারে জেলা বিএনপির প্রথম সারির এক নেতা নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক গতকাল সংবাদচর্চাকে বলেন, আগে থেকেই হুমায়ুন এবং টুটুল চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বন্দ্ব। হুমায়ুন একাই সবকিছু করতে চায়। থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি হওয়ার পরে প্রথম তাদের দ্বন্দ্ব কিছুটা কম হলেও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে তাদের দ্বন্দ্ব ভিতরে ভিতরে আরও বাড়ছে। হুমায়ুন তার ভাতিজাকে দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের দিকে যখন হুমায়ুন রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করে সেই নির্বাচনে টুটুলের সেন্টারে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফেল করেছিলো আর হুমায়ুনকে বিজয়ী করেছিলো। শর্ত ছিলো ইউপি নির্বাচনে হুমায়ুনের সেন্টারে হুমায়ুন টুটুলকে বিজয়ী করবে , কিন্তু তা হয়নি, হুমায়ুন টুটুলের সাথে বেইমানি করে । টুটুল হুমায়ুনের সেন্টারে হেরে যায়। জাহাঙ্গীর মাস্টারের পক্ষে কাজ করে হুমায়ুন ও তার সমর্থকরা। সেই থেকে তাদের দ্বন্দ্ব। এছাড়া দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর মাস্টারের সাথে হুমায়ুনের সখ্যতা লক্ষ্য করা যায়। তার নামে রাজনৈতিক মামলাও কম। সুত্রের খবর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তাদের দুইজনকে নিয়েই খেলছেন।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ