আজ সোমবার, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নিজ কেন্দ্রে গাজীর কাছে পরাজিত

নবকুমার:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডঙ্কা বাজছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি পুরোদমে নিতে আওয়ামী লীগের তৃণমূলে নির্দেশনা দিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে সারা দেশে জরিপ চলছে বলেও সবাইকে জানান শেখ হাসিনা। রূপগঞ্জে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করছে।

গেল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কাজী মনিরুজ্জামান তার নিজ ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজীর কাছে পরাজিত হয় । তারাব পৌর সভার কাজী পাড়ায় কাজী মনিরুজ্জামানের ভোট কেন্দ্র। সেই কেন্দ্র নৌকা প্রতীকে গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক পেয়েছেন ১হাজার ৩৯ ভোট তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মনিরুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬শ ৬৮ ভোট। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর কাজী মনিরুজ্জামান জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে বাদ পড়েন। এলাকায় খুব কম এসেছেন। সুত্রের খবর তিনি আর্থিক সংকটের মধ্যে। আগামী নির্বাচনে রূপগঞ্জ আসন থেকে ধীনের শীষ প্রতীকে কে নির্বাচন করবে তা নিয়ে কথা হচ্ছে । কে হবে বিএনপির প্রার্থী এখন পর্যন্ত পরিস্কার হয়নি। কাকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে রূপগঞ্জ থানা বিএনপি তা পরিস্কার করেনি দলটির নেতারা। তবে আলোচনায় রয়েছে দলটির একাধিক নেতা। স্থানীয় বিএনপি এবার প্রার্থী পরিবর্তন করার দাবি তুলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির প্রথম সারির এক নেতা বলেন, কাজী সাহেব নির্বাচনের পর এলাকায় খুব কম এসেছে। আমরা কর্মীরাও তাকে কাছে পাই নাই। সে এবার সুযোগ খুজছে।

তিনি আরও বলেন, রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের জোড় বেশি। আওয়ামীলীগ নেতাদের দাপটে বিএনপি মাঠে নামতে পারছে না। রূপগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন ও সদস্য সচিব বাচ্চু তারা দুইজন দিনে দীপু ভুঁইয়ার পক্ষে আর রাতে কাজী মনিরুজ্জামানের পক্ষে থাকে। এতে নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ছে।

অপর দিকে গরম হয়ে উঠছে রূপগঞ্জের রাজনীতি। প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল রূপগঞ্জকে গুরুত্ব দিচ্ছে। শক্ত অবস্থানে রয়েছে আওয়ামী লীগ। নতুন কমিটিতেও ঘুড়ে দাঁড়াতে পারছে না বিএনপি। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি ২০১৯ সালে রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে রূপগঞ্জ আসন থেকে পরপর তিনবার সংসদ সংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। তার নেতৃত্বে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন , সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। তার দক্ষ নেতৃত্বে রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর রাখছেন এবং তাদেরকে সময় দিচ্ছেন মন্ত্রী। করোনাকালে গাজী পিসিআর ল্যাবে বহু মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে। এছাড়া তিনি রূপগঞ্জসহ জেলার উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ঐক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী । আর বিএনপিতে কোন্দল ।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ