আজ শনিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

এটা একটা বিভীষিকাময় ঘটনা:মন্ত্রী গাজী

নবকুমার:

বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের অভিনয়ে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকটি নারায়ণগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিনায়তনে মঞ্চস্থ হয়েছে। শনিবার রাতে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিপথগামী সেনা সদস্যরা কীভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে, খন্দকার মোশতাক কীভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘনিষ্ঠ সহচর হয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, পুলিশ সদস্যদের নিখুঁত অভিনয়ে নাটকটিতে সেই চিত্র ফুটে উঠেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানের পরিকল্পনা, গবেষণা ও তথ্য সংকলনে এবং পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুর রহমানের রচনা ও নির্দেশনায় ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের ওপর নাটকটির মঞ্চায়ন করা হয়।
পুলিশ সদস্যদের দক্ষ অভিনয়ে নাটকটি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ,বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, যারা নাটকটা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। এতো সুন্দর ফুটিয়ে তুলেছেন , বিশেষ করে পরীভানুর অভিনয়টা একেবারে সুন্দর। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা এটা একটা বিভীষিকাময় ঘটনা। বিভীষিকাময় ঘটনায় যারা ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে তারা বিভীষিকাময় ঘটনাকে আরও বিভীষিকায়ম করে তুলেছেন বিধায় নাটকটি আরও প্রাণচঞ্চলতা পেয়েছে । সত্যিই আমি মুগ্ধ। নাটকটির মাধ্যমে আমাদের জাতির পিতার হত্যাকান্ডের ঘটনা একটা বাস্তবতার মতো ঘটনা আমরা দেখলাম। এ জন্য ডিআইজি সাহেবসহ সবাইকে ধন্যবাদ।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতার রক্ত বৃথা যাবে না। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সবার হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই বলেন , ওই ঘটনা ঘটবে আমরা চিন্তাও করতে পারি নাই। সেদিন আমরা তোমাকে রক্ষা করতে পারি নাই বঙ্গবন্ধু। এটা আমাদের চরম ব্যর্থতা। তুমি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়ো। তার স্মৃতির প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই।

আব্দুল হাই আরও বলেন, নাটকটি খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। নারায়ণগঞ্জ পুলিশকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমরা সেদিন জীবিত ছিলাম। তার বাড়ির আশেপাশে ছিলাম। সেদিন সেনাবাহিনীর প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধান, বিমান বাহিনীর প্রধান কাপুরুশের মতো ছিলো। রক্ষীবাহিনীসহ এরা সবাই নয়া সরকারের ( খন্দকার মোস্তাক সরকার) প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলো। সারা দেশে কারফিউ জারি করেছিলো। মেজর রশিদ ঘোষণা করেছিলো শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান,নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম,বিসিবির পরিচালক টিটুসহ পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ