আজ সোমবার, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

এখনও চোখ রাঙায়

স্টাফ রিপোর্টার

আলোচিত সাত খুন নিয়ে এখনও নারায়ণগঞ্জকে ভিন্ন চোখে দেখে মানুষ। সেই বর্বর ঘটনার মাস্টারমাইন্ড অশিক্ষিত ও সভ্যতার কলঙ্ক নূর হোসেন এখনও চোখ রাঙানি দেয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার সে ও তার ১০ সহযোগীর বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দায়েরকৃত অস্ত্র ও মাদক মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। এ সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকায় এ নরাধম।

বৃহস্পতিবার সকালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম সাবিনা ইয়াসমিনের আদালতে একটি মাদক মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন পুলিশের একজন রেকর্ড অফিসার ও তার দুই সঙ্গী। তারা হলেন- বর্তমানে সিলেট রেঞ্জে কর্মরত পুলিশ সুপার এসকে আলাউদ্দিন, এসআই কাজী শাওন ও এএসআই সেলিম। এছাড়া একই আদালতে অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও আরও একটি মাদক মামলায় হাজিরা হয়েছে। আদালতে নূর হোসেনের ১০ সহযোগীর মধ্যে ৮ জন হাজিরা দেন। তারা হলো শাহ জালাল বাদল, শাহ জাহান, জামাল, নূর উদ্দিন, শানাউল্লাহ, রিপন ওরফে ভ্যানিজ রিপন, হারুন অর রশিদ ও আলী মোহাম্মদ। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন।

এর আগে, সকালে নূর হোসেনকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে আনা হয়। এ কারণে আদালতপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিলো।

নারায়ণগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এড. জাসমিন নূর হোসেনকে আদালতে হাজিরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত অস্ত্র ও মাদক মামলায় নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে এ মামলায় ৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১২ মে ধার্য করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ ও ৩১ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ