আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

এক্সিট পোল নয়, এটি মোদি মিডিয়া পোল: রাহুল গান্ধী

অনলাইন ডেস্ক:

বুথফেরত জরিপে বিজেপি এগিয়ে থাকার পর আজ দীর্ঘ বৈঠক করেছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। তবে এই বৈঠক শুধু শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ভিডিও কলে সারা দেশের প্রার্থীদের যুক্ত করা হয়। ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। বুথফেরত জরিপকে ‘ভাঁওতা’ বলে উল্লেখ করেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা।

কংগ্রেস অবশ্য পুরোপুরি রাজনৈতিক বৈঠকের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছিল। ভিডিও বার্তায় আলাপ করা ছাড়াও ফলাফল ঘোষণার পরে তাদের নীতি কী হবে, তা নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গ, রাহুল গান্ধী, জয়রাম রমেশ, কে সি ভেনুগোপালসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা দলের লোকসভা প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

কংগ্রেসের একটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোট গণনার দিনে কারচুপির যেকোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে প্রার্থী ও তাঁদের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এই ব্যবস্থা নেওয়ার অর্থ, কোনো কারচুপির চেষ্টা হলে তথ্যগতভাবে তার প্রমাণ রাখা। প্রয়োজনে প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনকে জানানো।

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেছেন শনিবার সন্ধ্যায় যে বুথফেরত জরিপ প্রকাশিত করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে জাল ও ভাঁওতা। তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের একপেশে জরিপের সবই বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) এবং বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (অমিত শাহ) রচিত একধরনের মনস্তাত্ত্বিক খেলার অংশ।’

প্রায় দেড় মাস পরে শনিবার লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। শনিবারই এক্সিট পোলে ভারতজুড়ে লোকসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আর সিংহভাগ এক্সিট পোলের হিসাবে এগিয়ে রাখা হয়েছে বিজেপিকে।

এবার এই বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ভারতের সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানিয়েছেন, এর নাম এক্সিট পোল নয়, এর নাম হলো মোদি মিডিয়া পোল। এটা মোদিজির পোল। এটা তার ফ্যান্টাসি পোল।  চলে যাওয়ার সময় রাহুলকে প্রশ্ন করা হয়, কত পেতে পারেন আপনারা? এই প্রশ্ন শুনেই ঘুরে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘সিধু মুসেওয়ালার গান কখনও শুনেছেন ২৯৫? ২৯৫। এবার ইনডিয়া জোট ২৯৫টি আসন পাবে।

ভারতের কয়েকটি বিজেপিবিরোধী দলের নেতারাও গত দুদিন দিল্লিতে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাঁদের ভূমিকা এবং রাজনীতির দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ