আজ শুক্রবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

তরুণদের প্রতীক বাংলাদেশের সজীব

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিশু ভালবাসা, সমাজকে শিশু বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে সারা দেশের শিশুরা নেতৃত্ব দিয়েছে হাজারো শিশুর ভালবাসার মানুষ করেছে সজীব খন্দকার। র্দীঘ সময় পাড়ি দিয়েছে জীবনের পথচলা কিন্তু সজীবের ইচ্ছা তার মানুষের প্রতি কল্যান ও ভালবাসা অনেক কিছুই বদলে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন মাধ্যমে নেতৃত্ব দিচ্ছে অনেক তরুন। এদের তরুনদের কাছে সজীব সূর্যদয়ী হয়ে থাকবে। সজীব হয়তো অনেক দূরে তবুও কাজ করছেন সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে উপস্থখাপন করতে। দেশের অসংখ্য তরুনের ভালবাসা রয়েছে সজীবের প্রতি।

২০০৪ সালে সেভ দ্য চিলড্রেন অস্ট্রেলিয়ার আয়োজনে বরিশাল জেলার শিশু প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় শিশু সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। যেখানে উপস্থিত ছিল সারাদেশের প্রায় ৮০০ শিশু। মো. সজীব খন্দকার (জুনায়েদ)। সবাই তাকে সজীব নামেই ডাকে। উচ্চ মাধ্যমিকে মানবিক বিভাগে ৪.৮০ পেয়ে ২০১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় সে। বর্তমানে বরিশাল ব্রজমোহন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষে পড়াশুনা করছে এবং শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে কাজ করছে বিশ্বদ্যিালয়ের জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে।

বরিশালের শিশুদের অধিকার উন্নয়নে কাজ করতে ভালো লাগতো তার। এই সময়েই সে দুইজন গরীব ও অসহায় শিশুকে পড়াশুনা করানোর দায়িত্ব নেয়। ২০০৬ সালে বরিশাল জেলার ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বরিশাল জেলা কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করে, পরবর্তী পর্যায়ে ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সারাদেশে (এনসিটিএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব পালন করে।

ম্যাস লাইন মিডিয়া সেন্টার (এমএমসি) এর মাধ্যমে সাংবাদিকতার দিকে প্রথম অগ্রযাত্রা তাঁর। পরবর্তীতে (এনসিটিএফ এর সদস্য হিসেবে) সেভ দ্য চিলড্রেন ও প্রেস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শিশু সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর থেকে সাংবাদিকতার প্রতি ঝুঁকে পড়ে সজীব।

সে এনসিটিএফ ত্রৈমাসিক মুখপত্র ‘শিশু বুলি’তে কাজ করেন সজিব। পরবর্তী পর্যায়ে বরিশালের দৈনিক সত্য সংবাদের কাজ করেন।

সজীব ২০০৯ সালে ইউনিসেফ কর্তৃক আয়োজিত মিনা মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড প্রিন্টিং প্রতিবেদনে-১৮ নীচে ক্যাটাগরিতে সারাদেশ থেকে ২য় স্থানে দখল করে নেয়। সজীব জাতীয় ও স্থানীয় প্রতিযোগিতার মোট ৩৮ সনদপত্র, ক্রেস্ট, বইসহ বিভিন্ন পুরষ্কার পেয়েছে। সজীরেব ইচ্ছে একটি মোমবাতি হয়ে সারা বিশ্বকে আলোকিত করা।

জাতিসংঘে যাতে একটি বিশ্ব শান্তি ও তরুণ নেতৃত্বে অংশগ্রহণ ভিত্তিক একটি অধিবেশন ব্যবস্থা করা যায় তার জন্য বাংলাদেশে তরুণদের পক্ষ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সজীব ইয়ূথ ভয়েস নামে একটি তরুণদের নিয়ে সংগঠন এর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া তরুণদের অধিকার, বিশ্বে সমমূল্যায়ন, সমান অংশগ্রহণের, উন্নয়নের লক্ষে কাজ করছে।