আজ শুক্রবার, ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

ঝুঁকিতে ডিক্রিরচর

সংবাদচর্চা রিপোর্ট:
রাতে অনেকটা আতঙ্ক নিয়েই যেনো বিশ্রামে যেতে হয় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিরচর গ্রামের অর্ধশত পরিবারের। ঘুমালেই যেনো নদী গর্ভে বিলীন হতে হবে নিজেদের, এই ভয়ে ঠিক রাতও জাগে অনেকে। বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরীর পানি বাড়া ও নদীর তীর ভেঙ্গে পড়ায় ঝুঁকিতে রয়েছে তারা। ইতিমধ্যে ডিক্রিরচর খেয়াঘাটের পাশেই অবস্থিত বাজারের একাংশ ডুবে গেছে পানিতে। এ এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পশ্চিমপাড়ার নদীর তীর ঘেষা বাড়িগুলো। ভাঙ্গন রোধে প্রশাসন বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটি বাঁশের আরগাড়া ও ইটের নোঁড়া ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুদিন পূর্বে ডিক্রিরচর এলাকার রেজাউল করিম মাষ্টারের একটি ঘর নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং আশপাশের হাজ্বী ওহাব ফরাজীর বাড়ি থেকে মোখলেসুর রহমানের বাড়ি পর্যন্ত এ গ্রামে প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার ঝুঁিকতে রয়েছে। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এই এলাকার নির্বাচিত হলেও তিনি থাকেন শহরের মাসদাইর এলাকায় আলিশান বাড়িতে। তার কি সময় হয় এলাকাবাসীর খোঁজ নেয়ার? স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কোন কোন সময়ে সপ্তাহে আবার মাসেও একদিন দেখা পাওয়া যায় মতিউর রহমান মতি চেয়ারম্যানের। সে কিভাবে জানবে এলাকার মানুষের দুঃখের কথা। ঝুঁকিতে থাকা বাড়ির মালিকরা জানান, যেখানে প্রশাসন থেকে নদী ভাঙ্গন রোঁধে কাজ করার কথা, সেখানে আমরা নিজ উদ্যোগে কাজ করছি। আমরা গ্রামের অসহায় মানুষ, কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলে আমরা কোথায় যাবো।
এ বিষয়ে আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মতিউর রহমান মতি দেশের বাহিরে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন কথা বলেছেন এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। তিনি বলেন, মতিউর জনগনের ভোটে নির্বাচিত নয়, তাই জনগনের প্রতি কোন মায়া নেই। সে সারা জীবন সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে, এখনো সেই চিন্তাধারাতেই আছে। মানুষের সেবার কোন চিন্তা নেই।

স্পন্সরেড আর্টিকেলঃ